logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুরে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি

স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম
|  ১৮ জুলাই ২০১৯, ২১:৪০ | আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৯, ২১:৪৫
চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুরে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি
কুড়িগ্রামে পানিবন্দি মানুষ
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি কমতে শুরু করলেও টানা ৯দিন ধরে পানিবন্দি মানুষ রয়েছে চরম দুর্ভোগে। বেশ কয়েক জায়গায় এখনও ত্রাণ না পৌঁছায় বানভাসী মানুষ রয়েছে খাদ্য সংকটে।

bestelectronics
বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ব্রহ্মপূত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৭ সে.মি কমে গিয়ে এখন ১২৫ সে.মি এবং ধরলা নদীর পানি ১১ সে.মি কমে গিয়ে ১০৫ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

বুধবার রাতে চিলমারী উপজেলার কাচকল এলাকায় বাঁধ ভেঙে গোটা উপজেলা পানিবন্দি হয়ে পরে। একই অবস্থা রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায়। ৩ উপজেলায় সকল ধরণের কার্যক্রম স্তবির হয়ে পরেছে। পানিতে তলিয়ে আছে উপজেলা প্রশাসন, থানা, হাসপাতালসহ গোটা এলাকা। এখন পর্যন্ত বন্যায় ৫৬টি ইউনিয়নের ৫৭৮টি গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে সাড়ে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এদিকে উলিপুরের ধামশ্রেণি ইউনিয়নের মধ্য নাওড়া গ্রামে বাবলু মিয়ার কন্যা ববিতা খাতুন (১৬) পানি ভেঙে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে ডোবা রাস্তা ধরে বাড়িতে আসার পথে খালে পরে মারা যায়।

এনিয়ে গত নয় দিনে জেলায় পানিতে ডুবে মারা গেল ১৪ জন। এরইমধ্যে উলিপুরেই মারা গেছে ৮ জন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরজমিন সদর উপজেলার যাত্রাপুর ও পাঁচগাছী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেল বানবাসীদের দুর্ভোগ। পাঁচগাছী ইউনিয়নের গারুহারা এলাকার টাবুর গ্রাম পুরো তলিয়ে গেছে। এখানে বাণিয়াপাড়াসহ দেড়শ পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। গ্রামের একটি উঁচু ভাসমান ব্রিজে ৪দিন ধরে ৪টি পরিবার অবস্থান করছে।

এমকে

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়