logo
  • ঢাকা শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

তাহিরপুরে পানিবন্দি ২৫ গ্রামের মানুষ

সিলেট প্রতিনিধি
|  ১১ জুলাই ২০১৯, ১২:৫১ | আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৯, ১৩:০০
পানিবন্দি, খাবার, শুকনো
তাহিরপুরে পানিবন্দি দুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করছেন বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পানিবন্দি পরিবারের লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বুধবার দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পঁচিশ গ্রামের লোকজনের মধ্যে বাড়িবাড়ি গিয়ে নৌকায় করে শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা পাঁচদিনের প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সীমান্তবর্তী নদী এবং পাহাড়িছড়া ভেদ করে ঢলের পানিতে প্লাবিত হয় নিম্নাঞ্চলের গ্রামীণ জনপদগুলো।

যে কারণে গ্রামীণ হাট বাজারগুলোতে বুধবার সকাল থেকে প্রায় তিন ফুট পরিমাণ বন্যার পানি প্রবেশ করায় দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।

অপরদিকে বিভিন্ন গ্রামীণ বসতিতে ঢলের পানি ঢুকে পড়ায় কোনও কোনও পরিবারে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চুলো জ্বালানো সম্ভব হয়নি। ফলে পানিবন্দি পরিবারগুলোতে দেখা দেয় তীব্র খাদ্য সংকট।

এ অবস্থায় উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে লক্ষাধিক টাকার শুকনো খাবার কিনে নিজ ইউনিয়নের বোরখাড়া, কাশতাল, চরগাঁও, আমবাড়ি, রাশেশ্বরপুর, ফকিরনগর, পুরানঘাট, ব্রাহ্মণগাঁও, কড়ইগড়া, রাজাই, আমতৈলসহ পঁচিশ গ্রামের পানিবন্দি পরিবারের লোকজনের মধ্যে শুকনো খাবার হিসাবে চিড়া, মুড়ি, গুড়, পাউরুটি, কেক, টোস্ট, খাবার স্যালাইন বিতরণ করেন।

এদিকে উপজেলা সদর, বাদাঘাট উত্তর,  শ্রীপুর উত্তর, শ্রীপুর দক্ষিণ, বড়দল দক্ষিণ, বালিজুরি মডেল ইউনিয়নসহ সাত ইউনিয়নের কমপক্ষে দুই শতাধিক গ্রামে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করায় এসব গ্রামের অধিকাংশ পরিবারে বুধবার সকাল থেকে রাত অবধি চুলো জ্বালানো সম্ভব হয়নি বলে ভুক্তভোগী পানিবন্দি পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।

যে কারণে ওইসব গ্রামীণ জনপদে পানিবন্দি পরিবারগুলোতে শুকনো খাবারের সংকট দেখা দেয়।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়