logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬

বিশ্ব শরণার্থী দিবসেও নতুন কোনো খবর নেই রোহিঙ্গাদের (ভিডিও)

টেকনাফ প্রতিনিধি
|  ২০ জুন ২০১৯, ১৪:৫১ | আপডেট : ২০ জুন ২০১৯, ১৭:০৩
বিশ্ব শরণার্থী দিবস আজ (২০ জুন)। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থান করছে প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে আসা ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী। গত সাতাশ’ বছর ধরে থাকা পাঁচ লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ২০১৭’র আগস্ট থেকে আশ্রয় নেয় আরো সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। বছরের পর বছর ধরে এতোসব শরণার্থীর বোঝা মাথায় কেমন আছেন সীমান্তের মানুষ?

বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির কক্সবাজারের কুতুপালং। ৯ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে নতুন এবং পুরনো মিলিয়ে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয়স্থল এটি। বাকিদের অস্থায়ী ঠিকানা- টেকনাফে। ১৯৭৮ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আসা এই শরণার্থীরা নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে স্বদেশে ফেরার অপেক্ষায় দিন গুণছে।

নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও হঠাৎ ঘটে যাওয়া এ সংকট সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সাহায্য সংস্থার সমন্বয়ে শরণার্থীদের প্রয়োজনীয় অন্ন-বস্ত্র-চিকিৎসাসহ সবধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে সরকার। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও মিয়ানমার সরকারের অসহযোগিতায় এখনো আলোর মুখ দেখেনি সেই প্রক্রিয়া।

এদিকে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দিতে গিয়ে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। উজাড় হয়েছে ৬ হাজার একর বনভূমি, হারিয়েছে পরিবেশের ভারসাম্য। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয়রা। মাদকের হুমকি তো রয়েই গেছে।

উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের সবশেষ তথ্যমতে, ১১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীর বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। বাকিদের অনেকেই রয়েছে পলাতক জীবনে। অবস্থা এমন রোহিঙ্গাদের কারণে ঐ অঞ্চলের মানুষেরাই এখন সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে।

জিএ/ এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়