DMCA.com Protection Status
  • ঢাকা সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬

হাসপাতালটিতে এক যুগ ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ

কলমাকান্দা সংবাদদাতা
|  ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:৩১
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞানকারী ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভাবে প্রায় এক যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে প্রসবকালীন সিজারিয়ান অপারেশন। ফলে এখানে গর্ভবতী মায়েরা প্রসবকালীন জরুরি ও জটিল সময়ে চরম  ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।  

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার সরকারি এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার অপারেশনের জন্য আছে অপারেশন থিয়েটার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ। কিন্তু এখানে প্রায় ১২ বছর ধরে অজ্ঞানকারী ডাক্তার থাকলে থাকেনি গাইনি বিশেষজ্ঞ কিংবা গাইনি বিশেষজ্ঞ থাকলে থাকেনি অজ্ঞানকারী ডাক্তার। এ দুই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার  একসঙ্গে হতে না পারায় এ হাসপাতালটিতে প্রায় এক যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে মায়েদের প্রসবকালীন জটিল ও জরুরি সময়ের সিজারিয়ান অপারেশন। এক যুগ পূর্বে এখানে নিয়মিত ওই অপারেশন হতো।

উপজেলার বিশরপাশা গ্রামের বাসিন্দা আলাল মিয়া বলেন, সম্প্রতি তার গর্ভবতী স্ত্রীকে প্রসবকালীন জটিল অবস্থায় সিজারের জন্য এ হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন।কিন্তু সরকারি এ হাসপাতালটিতে সিজারের ব্যবস্থা না থাকায় তাদের যেতে হয়েছে প্রাইভেট ক্লিনিকে।

উপজেলা সদরের বাসিন্দা একরাম হোসেন বলেন, প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রসবকালীন একটি সিজারিয়ান অপারেশন করতে খরচ হয় কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আল-মামুন বলেন, এ হাসপাতালে ওই দুপদে ডাক্তার চেয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন দেয়া হচ্ছে নেত্রকোনা সিভিল সার্জন বরাবর।

নেত্রকোনা সিভিল সার্জন ডা. তাজুল ইসলাম খান বলেন, পূর্বে ‘জরুরি প্রসূতি সেবা’ কার্যক্রমের আওতায় কলমাকান্দায় সিজার অপারেশন হতো। এখন অজ্ঞানকারী ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সল্পতা রয়েছে। তাই এসব ডাক্তারের পোস্টিং এখানে আপাতত দেয়া যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মানু মজুমদার বলেন, স্বাস্থ্যখাত হচ্ছে বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারভিত্তিক একটি খাত। স্বল্প সময়ের মধ্যেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সংকট নিরসন করা হবে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়