DMCA.com Protection Status
  • ঢাকা সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬

বিক্ষোভের মধ্যে বাসে আগুন, প্রতিহত করলো শিক্ষার্থীরা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৯ মার্চ ২০১৯, ১৫:৩৯ | আপডেট : ১৯ মার্চ ২০১৯, ১৬:১০
বাসচাপায় সহপাঠি নিহতদের ঘটনায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় হঠাৎ সু-প্রভাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয়ার চেষ্টা করেন কয়েকজন। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে রাজধানীর প্রগতি সরণি নর্দ্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তার আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় বিইউপির শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহত হন। এ ঘটনায় বাসচালক সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া বাসটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিইউপির আইআর বিভাগের শিক্ষার্থী আবু তালহা ও শামীম আল হাসান জানান, বাসটিতে দুই ব্যক্তি আগুন দেন। তারা বিইউপির ছাত্র নয়। আগুন ধরালে ধোঁয়া বের হয়। পরে ছাত্ররা ধাওয়া দিলে একজন পালিয়ে যায়। আরেকজনকে ধরে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তবে তার নাম জানা যায়নি।

------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সুপ্রভাত পরিবহনের বাস চলবে না: মেয়র আতিকুল
------------------------------------------------------------

এই দুই শিক্ষার্থী আরও বলেন, দাবি আদায়ে আমাদের আন্দোলন অহিংস। সেখানে পরিস্থিতি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে সু-প্রভাত বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আগুনে বাসটির দুটি সিট পুড়ে গেছে। বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরাই বাসটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নিয়ে অহিংস বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তারা রাস্তা অবরোধ করে স্লোগান দিচ্ছেন। ‘নিয়মের চক্রে মরে শেষ হচ্ছি’; ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; ‘আবিরের বুকে রক্ত কেন?’, ‘কয়লার সড়কে রক্ত কেন?’; ‘নিরাপদ সড়ক চাই; ভাইয়ের বুকে রক্ত কেন?’; ‘প্রশাসনের প্রহসন মানি না মানব না’; ‘জেগেছে রে জেগেছে ছাত্রসমাজ জেগেছে’; ‘সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ হোক’; ‘আমার ভাইয়ের বুকের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’; ‘আবরার তোর স্মরণে, ভয় পাই না মরণে’ ইত্যাদি স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে বসুন্ধরা গেট সংলগ্ন এলাকা।

এ ব্যাপারে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, ‘একটি বাসে আগুন দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কেউ একজন ম্যাচ ঠুকে গাড়িতে আগুন দেয়। তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীরাই তা পানি দিয়ে নিভিয়ে ফেলে। তবে কে আগুন দিয়েছে সেটা জানা যায়নি। এখনও শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করছে। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে৷

আরও পড়ুন : 

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়