logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

নিজ বাসায় খাদ্যমন্ত্রীর জামাতার ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৭ মার্চ ২০১৯, ১৭:২৪ | আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৯, ১৭:২৯
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডেন্টাল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদারের মেয়ের জামাই রাজন কর্মকারের (৪২) রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে তার স্বজনরা দাবি করেছেন।

শনিবার রাতে রাজধানীর ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডের একটি বাসা থেকে রাজনকে স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাজনের স্ত্রী কৃষ্ণাকাবেরি মজুমদারও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম বলেন, আমরা ঘটনা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত মন্ত্রীর পরিবার অথবা নিহতের পরিবার থেকে কেউ অভিযোগ করেনি। আমাদের একটি টিম স্কয়ার হাসপাতালে আছে। তাদের সঙ্গে নিহতের পরিবারের কথা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, আমরা জেনেছি গত রাতে স্কয়ার হাসপাতালে রাজনকে ভর্তি করা হয়। রাজন ইন্দিরা রোডের ৪৭ নম্বর বাড়িতে থাকতেন।

------------------------------------
আরো পড়ুন: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো গাড়ি থেকে ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার
------------------------------------

নিহত রাজন কর্মকারের মামা সুজন কর্মকার বলেন, প্রথমে নিহতের শ্বশুরবাড়ির লোকজন স্বাভাবিক মৃত্যু ধরে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হাসপাতাল থেকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু নন-ডায়াবেটিস (ডায়াবেটিস নেই এমন) একজন লোকের এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। আমরা ময়নাতদন্ত চাই।

রাজনের সহকর্মী বিএসএমএমইউয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক বলেন, রাজন হত্যার বিচার চাই। আমার জানা মতে, রাজনের কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল না। আমরা জেনেছি, আগে থেকেই তার পারিবারিক কলহ ছিল। আমরা মরদেহের ময়নাতদন্ত চাই।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শেষে রাত ১২টায় বাসায় ফেরেন রাজন। রাত সাড়ে ৩টায় নিহতের মাকে ফোন করে বলা হয়েছে, আপনার ছেলে আজ রাতে মারা যাবে। রাতেই স্কয়ারে নিলে চিকিৎসক রাজন কর্মকারকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে পুলিশ মামলা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছে পরিবার।

জানা গেছে, রাজন কর্মকার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অষ্টম ব্যাচের (বিডিএস) ছাত্র ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর। তার বাবার নাম সুনীল কর্মকার।

স্কয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বক্তব্য

রাত পোনে ৪টার দিকে রাজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সে সময় ডিউটিতে ছিলেন ডা. সজীব। তার বরাত দিয়ে আজ রোববার বিকেল ৪টার দিকে ডা. আসাদ বলেন, মৃত অবস্থায় বডি নিয়ে আসা হয়। মরদেহ দেখে মনে হয়নি অস্বাভাবিক মৃত্যু। তাই পুলিশকে কিছু জানানো হয়নি। পরিবারকে জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুন: 

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়