logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ

চাঁদপুর প্রতিনিধি
|  ০১ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৫
জাটকা রক্ষায় আজ ১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে দুই মাস সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইলিশ রক্ষায় জাটকা নিধন প্রতিরোধ কর্মসূচির আওতায় সরকারের মৎস্য মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দিয়েছে।

জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার এলাকা অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে। অভয়াশ্রম চলাকালীন সময়ে ইলিশসহ যেকোনো মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও সরবরাহ নিষিদ্ধ থাকবে।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে জেলা টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, জেলা মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এই কমিটিতে রয়েছেন। দুই মাসের এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বুধবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে টাস্কফোর্স কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান জানান, যেসব জেলে আইন অমান্য করে জাটকা নিধন করবে তাদের তালিকা তৈরি করে দেওয়ার জন্য মৎস্য বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকি জানান, জেলায় ৫১ হাজার তালিকাভুক্ত জেলে রয়েছে। এসব জেলেদেরকে জাটকাসহ সকল ধরনের মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার জন্য ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। জেলেপাড়ায় লিফলেট বিতরণ ও আড়তগুলোতে ব্যানার সাঁটানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকারের আইন ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনও জেলে নদীতে মাছ ধরলে তার আইডি কার্ড বাতিল, দুই বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হতে পারে।

চাঁদপুরের ৫১ হাজার জেলে পরিবার এই প্রথম অভিযানের পূর্বেই পুনর্বাসনের চাল পাচ্ছেন। এই নিষেধাজ্ঞা মেনে জেলেরা ডাঙায় তুলছেন মাছ ধরার নৌকা। প্রতি বছর নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের পুনর্বাসনে চার মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেয় সরকার। তবে জেলেরা চালের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি করেছে।

জেবি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়