logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫ মাঘ ১৪২৭

দেশ-বিদেশের ব্যবসায়ীদের টানবেই পায়রা

জুলহাস কবীর
|  ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৩:২৮ | আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৬:৩৭
সমুদ্রপথে সিল্করুটের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে পায়রার। দেশ-বিদেশের ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করতে এরইমধ্যে বন্দরে বিশেষ শুল্ক ছাড় দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বন্দরের মূল অবকাঠামো নির্মাণে সম্প্রতি চীনের দু’টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।    

ভৌগলিক অবস্থানই বাংলাদেশের জন্য বড় এক সুযোগ তৈরি করেছে। বঙ্গোপসাগরের এমন এক জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান যার আশপাশের দেশগুলোর অনেক অঞ্চল পুরোপুরি ভূমিবেষ্টিত। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে পায়রাকে গভীর সমুদ্রবন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে মনোযোগী হয়েছে বাংলাদেশ। যা থেকে সুবিধা পাবে দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও।

স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু করা বন্দরের জেটিতে বেশি গভীরতার জাহাজ সরাসরি আসতে পারলে বদলে যাবে দেশের শিল্প-বাণিজ্য-অর্থনীতি। 

দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত ও চীনের সমন্বিত উদ্যোগে গড়ে উঠছে ‘ইকোনমিক করিডোর’। সাগরের কাছে হওয়ায় প্রতিবেশি দেশগুলো পায়রায় ট্রানজিট সুবিধা নিতে আগ্রহী হবে বলে আশা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চ্যানেলের গভীরতা বেশি হওয়ায় সব ধরনের সমুদ্রগামী জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারবে। আর পণ্য খালাসের পর তা সড়ক ও নৌপথে দেশের যেকোনো প্রান্তে সহজে পৌঁছানো যাবে। 

বন্দরের প্রতি ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করতে মালামাল আমদানি-রফতানিতে ৮০ ভাগ পর্যন্ত শুল্ক ছাড় দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। 

বিস্তীর্ণ সাগরের ওপর বাংলাদেশের একচ্ছত্র মালিকানা অর্জনকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় অর্থনীতি আরো মজবুত করতে, নির্ধারিত সময়েই পায়রা বন্দর উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার।

এম/ এসজেড

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়