• ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo

কুয়াকাটায় কালভার্ট ও খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১৩ মার্চ ২০২৪, ১৩:২৬
কুয়াকাটা
ছবি : সংগৃহীত

কুয়াকাটায় কালভার্ট ও খাল দখল করে বিশালাকৃতির ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধসহ খাল ভরাট হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। কুয়াকাটা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কম্পিউটার সেন্টার-সংলগ্ন আশ্রায়ন প্রকল্পে এ দখল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এমন দখল দূষণের কারণে পরিকল্পিত নগরায়ন কতটুকু বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে পৌরবাসীর। এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ভূমি প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে স্থানীয়রা জানালেও বন্ধ হয়নি নির্মাণকাজ।

জানা গেছে, কুয়াকাটা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দা জামাল মাঝির ছেলে আলী হায়দার আশ্রায়ন প্রকল্পের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবাহমান খালের ওপরে বিশালাকৃতির একটি টং ঘর নির্মাণ করেছে। ওই টং ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে সদ্য নির্মাণ করা একটি বক্স কালভার্ট ঘরের নিচে চাপা পরে গেছে। আশ্রায়নের কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া খাল দিয়ে ওই এলাকার ফসলি জমিসহ জমে থাকা অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে। প্রতিনিয়ত খালের দুই দিক দিয়ে দখলে নিচ্ছে সুবিধাভোগিরা। এতে খালটি সরু হতে হতে বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। তদারকির অভাবে খালের পশ্চিম মাথা ভরাট করে দখলে নিয়েছে কতিপয় দখলবাজরা, পূর্ব দিকে করা হয়েছে মাছের ঘের। এ ব্যাপারে জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দখল দূষণের কারণে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। যেটুকু বাকি আছে তা ভরাটের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দিনদিন যেভাবে খাল ভরাট ও দখল হয়ে আসছে তাতে আগামীতে খালের কোনো অস্থিত্ব থাকবে না।

খাল ও কালভার্ট দখল করে ঘর নির্মাণ করার কথা স্বীকার করে অভিযুক্ত আলী হায়দার জানান, খালের ওপর টংঘর নির্মাণ করেছেন তিনি এটা সত্য। তবে ঘরের নীচ দিয়ে পানি চলাচল করতে পারবে। কালভার্ট দিয়ে পানি নিষ্কাশনেও কোন সমস্যা হবে না। তিনি দাবি করেন, এ বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর, মেয়র ও ভূমি অফিসের লোকজন অবগত রয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ঠ ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, এই খাল দিয়ে অত্র এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়ে আসছে। প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ঘের নির্মাণসহ নানাভাবে দখল হয়ে গেছে খালটি। খাল রক্ষায় ভূমি কর্মকর্তারা উদ্যোগ না নেওয়ায় দখল রোধ করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ.ন.ম মুরাদুল ইসলাম বলেন, আমি এখানে সদ্য যোগদান করেছি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নিবো।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। কেউ তাকে জানায়নি। কাউন্সিলরের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি বিষয়টি অবগত হয়ে স্থানীয় তহসিলদারকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।

মন্তব্য করুন

daraz
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
এসএসসি পাসেই বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরি, আবেদন অনলাইনে
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে নিয়োগ, নেবে ৬৩৮ জন
এসএসসি পাসে কাস্টমসে নিয়োগ, নেবে ১১৩ জন 
কুয়াকাটায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমুদ্রস্নানে হাজারো পুন্যার্থী
X
Fresh