Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২২ মে ২০২২, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

নিখোঁজ নন, পারিবারিক কলহে পালিয়েছিলেন সেই অন্তঃসত্ত্বা

নিখোঁজ নন, পারিবারিক কলহে পালিয়েছিলেন সেই অন্তঃসত্ত্বা
নিখোঁজ নন, পারিবারিক কলহে পালিয়েছিলেন সেই অন্তঃসত্ত্বা

নিখোঁজ নয়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ছেলে মেহেদি হাসানকে (৬) নিয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ রোকসানা আক্তার (২৬) ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পুলিশ বলছে, মেঝেতে পড়ে থাকা রক্তটি মানুষের নয়। ওই পরিবারকে বিপদে ফেলতেই অন্য কেউ রক্তগুলো মেঝেতে ফেলে যায়। রক্তে প্রচুর পরিমাণে দুর্গন্ধ ছিল।

শুক্রবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে এসব তথ্য জানান রামগতি থানার ওসি আলমগীর হোসেন। এর আগে সকালে উপজেলার চর আলী আকবর গ্রামের হাজিরহাট এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।

ওসি জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে বুধবার (১১ মে) সকালে ঘুম থেকে উঠে ছেলে হাসানকে নিয়ে তার মা রোকসানা পালিয়ে যায়। পরে তারা চট্টগ্রাম এক নিকটাত্মীয়ের বাসায় ওঠে। নিখোঁজের ঘটনায় জানতে গৃহবধূর বাবার বাড়ি একজনকে জিজ্ঞেস করলে সে সত্যতা স্বীকার করে। পরে নিজ থেকেই গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাত ছেলেকে নিয়ে রোকসানা প্রথমে নোয়াখালী ও পরে রামগতির চারআলী আকবর গ্রামের হাজিরহাট এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে আসে। সেখান থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, প্রায়ই রোকসানা এমন ঘটনা ঘটায়। আনোয়ারসহ তাদেরকে বাড়িতে পাঠানো হবে।

রোকসানা উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের চর আফজল গ্রামের দিনমজুর আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১০ মে) রাতে খাওয়া শেষে আনোয়ার ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোকসানা ছেলে সন্তান নিয়ে একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে দু'জনের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সকালে ঘুম থেকে উঠে ছেলে মেহেদিসহ রোকসানাকে বিছানায় দেখা যায়নি। এতে আশপাশে খুঁজেও তাদের সন্ধান মেলেনি। বিষয়টি আনোয়ার প্রতিবেশীদেরকেও জানায়। একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন ঘরে এসে মেঝেতে রক্ত দেখতে পায়। এতে তারা তাৎক্ষণিক পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথমে ৭ জনকে আটক করা হয়। পরে ৬ জনকে ছেড়ে দিয়ে গৃহবধূর স্বামী আনোয়ারকে আটকে রাখা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS