Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

ভোমরা সিএ্যান্ডএফ নির্বাচনে দুই কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

ভোমরা সিএ্যান্ডএফ নির্বাচনে দুই কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ
ফাইল ছবি

এবার দুই কোটি টাকার বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় গঠিত হতে যাচ্ছে ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশনের পাতানো নির্বাচনের কমিটি।

এবারের এই কমিটিতে দোয়া পেয়েছেন একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও পুলিশের দুজন বড় কর্মকর্তার। তাদেরই ছত্রছায়ায় অজ্ঞাত স্থানে সোমবার (৯ মে) গ্রহণ করা হয়েছে অ্যাসোসিয়েশনের নয়টি পদের বিপরীতে নির্ধারিত নয়জনের মনোনয়নপত্র।

সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা জানান, সোমবার ছিল কমিটির নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও এই সময়ের মধ্যে সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনে নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্য হাজির হননি। অন্যদিকে সেখানে ছিল পুলিশের উপস্থিতি।

নির্বাচনে আগ্রহী সদস্যরা জানান, তারা যথাসময়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য সেখানে উপস্থিত হয়েও কমিশনের কোনো কর্মকর্তার দেখা পাননি। এমনকি মোবাইল ফোনে তাদের সঙ্গে কথাও বলতে পারেননি। সিএ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন ভবনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা কোনো ব্যক্তিকে সেখানে ঢুকতে দেননি। ফলে মনোনয়নপত্র হাতে নিয়ে তারা দীর্ঘ সময় কাটিয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যান।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আশরাফুল ইসলাম খোকনের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

ভোমরা সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান জানান, গত ২৫ এপ্রিল সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আশরাফুল ইসলাম খোকনকে নির্বাচন কমিশনার, গোলাম আকবরকে সদস্য সচিব এবং আব্দুস সাত্তারকে সদস্য করে তিন সদস্যের কমিশন গঠন করা হয়। সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা নির্ধারন করা হয়। অথচ তিনি নিজেসহ অন্যরাও মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন ভবনে কমিশনের কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। সেখানে ছিল কেবলমাত্র দায়িত্বরত পুলিশ। তারা কোনো সদস্যকে সেখানে দাঁড়াতেও দেননি।

সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু, সাবেক আহ্বায়ক এজাজ আহমেদ স্বপন, বর্তমান আহ্বায়ক মিজানুর রহমান এবং সদস্য রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীসহ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা অভিযোগ করে বলেন, দুই কোটি টাকার উৎকোচ হিসেবে ওই তিন কর্মকর্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আর তারাই এই নির্বাচনের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কমিশনকে হাতের মুঠোয় ফেলে অজ্ঞাত কোনো স্থানে নিয়ে এসে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। আমরা এই পাতানো নির্বাচনের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

পরে সাংবাদিকরা সেখানে থাকা চেয়ারে বসলে একপর্যায়ে অজুহাত দেখিয়ে সাংবাদিকদের চেয়ার থেকে তুলে দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS