Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

চমেকে একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর বহিষ্কার এই প্রথম

উশৃঙ্খল আচরণ, দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ানো ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ডিসিপ্লিনারি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ মোট ৩০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

গতকাল অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শাস্তির আওতায় আসা এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৩ জন নিজেদের গ্রুপের বলে দাবি করেছেন শিক্ষাউপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী ছাত্রলীগের কর্মীরা। সে হিসেবে বাকি আটজন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী।

এদিকে, একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের ঘটনা চমেকে এর আগে ঘটেনি বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

চমেকের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আরটিভি নিউজকে বলেন, একসঙ্গে এতসংখ্যক শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের ঘটনা হয়তো এটাই প্রথম। এর আগে হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমি শুনিনি। যদিও আমার সময়কালে একজন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছিল। এর আগেও এক বা একাধিক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের কথা জেনেছি। তবে সংখ্যায় এতজন বহিষ্কারের কথা আগে শুনিনি। অবশ্য, অপরাধ বিবেচনায় তাদের শাস্তির আওতায় আনাটা একাডেমিক কাউন্সিল হয়তো যুক্তিযুক্ত মনে করেছে।

বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. সাহেনা আক্তার বলেন, মারামারির ঘটনা ছাড়াও ছয়জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে অন্য কারণে। হোস্টেল বন্ধ ঘোষণার পরও ওই ছয় ছাত্র কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় ছাত্র সংসদের দরজা ভেঙে সেখানে অবস্থান করছিল। আমরা ১৮ নভেম্বর বিষয়টি জানতে পারি। অর্থাৎ তারা বেশ কিছুদিন ধরে সেখানে অবস্থান করছিল। কিন্তু ক্যাম্পাসের এখন যে পরিস্থিতি, যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে তাদের ছাত্র সংসদের দরজা ভেঙে সেখানে অবস্থান করা বড় ধরনের অপরাধ বলে একাডেমিক কাউন্সিল মনে করেছে। যে কারণে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। এর বাইরে যেহেতু দুটি পক্ষ বিবাদমান এবং প্রায়ই তারা সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। যারাই এ ধরনের বিশৃঙ্খল আচরণের সঙ্গে জড়িত, তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। সে কারণে সংখ্যাটা একটু বেড়েছে।

টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS