Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

দ্বিতীয় স্বামীকে মামলায় ফাঁসিয়ে স্ত্রীর তৃতীয় বিয়ে

দ্বিতীয় স্বামীকে মামলায় ফাঁসিয়ে স্ত্রীর তৃতীয় বিয়ে
ফাইল ছবি

বরগুনার তালতলীতে দ্বিতীয় স্বামীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠিয়ে গোপনে তৃতীয় বিয়ে করার অভিযোগ ওঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হলে দ্বিতীয় স্বামীকে তালাক দিয়ে আবার তৃতীয় স্বামীর সঙ্গে বিয়ের কাবিন করেন ওই নারী। এমন অভিযোগ দ্বিতীয় স্বামী জসিমের।

২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের তাঁতিপাড়া গ্রামের বাবুলের ছেলে জসিমের সঙ্গে প্রতিবেশী ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের ১২ দিনের মাথায় স্বামী জসিম তার প্রথম স্ত্রীর কাছে চলে যান। এ নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়।

গত বছরের ১ জানুয়ারি স্বামী জসিম জানতে পারেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে তালাক না দিয়ে পার্শ্ববর্তী কালাপাড়া উপজেলার এক ব্যক্তির সঙ্গে স্ত্রী পরিচয় সংসার করছেন এবং ওই ঠিকানায় স্থানীয় ইউপি সদস্যদের নিয়ে গেলে তারা তাদের বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরদিন ২ জানুয়ারি স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিকট তাদের বিয়ের কাবিননামা দেখানোর কথা বলে ওইদিন রাতেই তারা ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এরপর বরগুনা কোর্টে গিয়ে ওই নারী বাদী হয়ে স্বামী জসিমের বিরুদ্ধে খোরপোশ বাবদ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় স্বামী জসিম তিন মাস হাজতবাস করেন।

সম্প্রতি হাজতবাস থেকে মুক্তি পাওয়া জসিমের ভাষ্য, ওই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে তার স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে রয়েছে। পরকীয়ায় আসক্তি আছে তার। এটা দেখে মন ভেঙে যায় তার। তাই তিনি প্রথম স্ত্রীর কাছে চলে গিয়েছিলেন। একে কেন্দ্র করে ওই নারী তার সঙ্গে বিবাদ সৃষ্টি করেন এবং একটি অজুহাত বানিয়ে পালিয়ে যান। উল্টো মামলা করে জসিমকে জেলেও পাঠিয়েছেন।

গত বছরের ১৫ মে ঢাকার ইব্রাহিমপুর কাজী অফিসে গিয়ে দ্বিতীয় স্বামীকে তালাক না দিয়ে ওই নারী কুমারী পরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন, এটা তার তৃতীয় বিয়ে। দ্বিতীয় স্বামী জসিম ওই কাবিননামা সংগ্রহ করে তা কোর্টে দাখিল করেন। এরপর চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর বরগুনার সদরের চরকলোনীর কাজী সাঈদুর রহমানের অফিসে গিয়ে স্বামী জসিমকে তালাক দিয়ে ওই দিনই আবার তৃতীয় বিয়ের কাবিন করেন।

অভিযুক্ত ওই নারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে তৃতীয় বিয়ের বিষয় অস্বীকার করেন। পরে তিনি স্বীকার করে বলেন, জসিমকে সেপ্টেম্বর মাসের ১৮ তারিখ তালাক দিয়েছি। আর চলতি মাসের ৮ তারিখ চরকলোনী কাজী অফিসে আরেকটা বিয়ে করি, এটা আমার তৃতীয় বিয়ে।

লতাচাপলী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আলম ফকির বলেন, ওই মেয়ের শাশুড়ি লোকজনসহ বাড়িতে গেলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেন এবং কৌশলে রাতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এসএস/টিআই

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS