Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

‘প্রথমে লাথি মারেন, পরে জুতা দিয়ে সিনহার গলা চেপে ধরেন প্রদীপ’

আজ মঙ্গলবার সিনহা হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দফার সাক্ষ্যগ্রহণের তৃতীয় দিন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দেন টেকনাফের বাহারছড়ার বায়তুন নুর জামে মসজিদের ইমাম ও হেফজখানার শিক্ষক হাফেজ মো. আমিন।

পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে আদালতে তিনি বলেন, মেরিন ড্রাইভে শামলাপুর চেকপোস্টের বিপরীতে একটি মাদরাসায় আমি তখন বাচ্চাদের পড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ চেকপোস্টের দিক থেকে গুলির শব্দ শুনে চেকপোস্ট এলাকায় আসি। দেখি রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে রয়েছে এক ব্যক্তি, তখনও তিনি জীবিত। কিছু সময় পর একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থলে আসেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। তিনি গাড়ি থেকে নেমে পরিদর্শক লিয়াকতের সঙ্গে কথা বলেন। পরে আহত লোকটির কাছে গিয়ে লাথি মারেন। এরপর জুতা দিয়ে লোকটির গলা চেপে ধরেন। পরে জানতে পারি নিহত লোকটি আর্মির মেজর সিনহা।

হাফেজ আমিনকে রোহিঙ্গা দাবি করে আসামি প্রদীপের আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত বলেন, আমিন টেকনাফের শামলাপুরে ২৩ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা নাগরিক। যেখানে ক্যাম্প থেকে বের হতে অনুমতি লাগে সেখানে সে কি করে তিনি প্রত্যক্ষদর্শী হন। ওই সাক্ষী নিজেই জানেন না ওই মসজিদের কমিটিতে কারা রয়েছেন। তাই আমরা মনে করছি ওই সাক্ষী যা বলেছেন সব মিথ্যে বলছেন।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, মামলার ৫ নম্বর সাক্ষী হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে আদালতে স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি রোহিঙ্গা নাগরিক নয়, বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি যা দেখেছেন তাই আদালতে বর্ণনা করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, অন্যদিনের মতো সকাল পৌনে ১০টার দিকে মামলার আসামি সাবেক ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকতসহ ১৫ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। দ্বিতীয় দফার তৃতীয় দিনের জন্য হাফেজ মো. আমিন, শওকত আলী ও সাইফুল আবছার আবুইয়ার সাক্ষ্যের হাজিরা দেওয়া হয়।

প্রথম দিন ৬ জনের এবং দ্বিতীয় দিনে ৩ জনের হাজিরা দেয়া হলেও প্রতিদিন মাত্র একজন করে সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

এসএস

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS