Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১৪ জুলাই ২০২১, ১২:৫৭
আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, ১৩:০২

লকডাউনে বিপাকে ঝিনাইদহের কলা চাষীরা 

লকডাউনে বিপাকে ঝিনাইদহের কলা চাষীরা 
ঝিনাইদহের কলা চাষীরা 

টানা লকডাউনে বিক্রি কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কলা-চাষীরা। নিজেদের ভাগ্য বদলের আশায় কলা চাষ করলেও সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ ও কঠোর লকডাউনের কারণে কলার দাম ও বিক্রি আগের তুলনায় কমে গেছে। ফলে দুশ্চিন্তায় ভাঁজ পড়েছে অনেকের চোখে-মুখে।

কালীগঞ্জ শহরের যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কলার হাটে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে বেপারীদের আনাগোনা পূর্বের তুলনায় অনেক কম। অনেক চাষীরা কলা নিয়ে বসে আছেন সপ্তাহের পর সপ্তাহ। আর্থিক সংকটের মুখে রয়েছে অনেকে।

জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলায়, রায়গ্রাম, ফরাশপুর, বেলেডাঙ্গা, সুন্দরপুর, কালুখালী, বারবাজার, কলার চাষ বেশি হয়েছে। প্রথমদিকে ভালো দাম পেলেও কঠোর লকডাউন শুরুর পর থেকে কলার দাম কমে যাওয়ায় লোকশান গুনছেন চাষীরা। যেখানে এক কাঁদি চাপাকলা (স্থানীয় নাম ঘাউর) ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, সবরি কলার কাঁদি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সাগর ও রঙিন মেহের সাগর কলার কাঁদি পাইকারি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বিক্রি হয়। সেখানে প্রতি কাঁদি কলা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমে এসেছে।

ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের কলাচাষী শাহজান আলী আরটিভি নিউজকে বলেন, সংসারে অভাব-অনটন থেকে মুক্তি পেতে কলা চাষ করেছি। কিন্তু এ বছর করোনা মহামারি ও কঠোর লকডাউনের কারণে কলার ভালো দাম না থাকায় লোকশান গুনতে হচ্ছে।

স্থানীয় পাইকারি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন আরটিভি নিউজকে বলেন, ঝিনাইদহ জেলার মাটি কলা চাষের জন্য ভালো। সারা দেশে কালীগঞ্জ উপজেলার কলার সুনাম রয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে প্রতিদিন কলা আসলে কঠোর লকডাউন থাকায় এখন তেমন আসছে না।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ কৃষি অফিসার শিকদার মোহাইমেন আক্তার আরটিভি নিউজকে বলেন, চলতি বছর কলার উৎপাদন ভালো হয়েছে। তবে কঠোর লকডাউনে বাইরের জেলা থেকে কলা ব্যবসায়ীরা না আশায় লোকশানে পড়েছেন চাষীরা। আমরা কলা চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করছি।

জিএম

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS