Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২০ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ০৬ জুন ২০২১, ১২:৫৭
আপডেট : ০৭ জুন ২০২১, ১২:৫৮

জনসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ

জনসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ
ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জনসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ। তিনি উপজেলার কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ও কান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

সিদ্ধার্থ বাড়ৈ প্রতি বছর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তার ওয়ার্ডের প্রায় ৪০০ পরিবারের ৭০ হাজার টাকা ট্যাক্স পরিশোধ করছেন। বিগত ৫ বছর ধরে তিনি এই কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। এছাড়াও তিনি জনগণের চলাচলের জন্য এলাকায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থ একটি বিধ্বস্ত রাস্তা নিজ অর্থায়নে সংস্কার করে দিয়েছেন। তার এ কর্মকাণ্ড পুরো ইউনিয়নে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

শুধু ট্যাক্স ফ্রি বা রাস্তা সংস্কারই নয়, সিদ্ধার্থ বাড়ৈ এলাকার মাদক নির্মূলে গ্রহণ করেছেন নানা উদ্যোগ। যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে ফেরাতে নিজ অর্থে ক্লাব ঘর নির্মাণ করে এলাকার যুবকদের কিনে দিয়েছেন ক্রীড়া সামগ্রী। এলাকায় শিক্ষার প্রসার ঘটাতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছেন। দুস্থ ও বিধবা নারীদের স্বাবলম্বী করতে তিনি এলাকায় বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন।

কান্দি ইউয়িনের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খালেক সরদার ও সিদ্দিক সরদার বলেন, ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ ৫ বছর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এলাকার জনগণের ট্যাক্স ফ্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি তার কথা রেখেছেন। ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৫ বছর ধরে আমাদের ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছেন। নিজ অর্থায়নে আমাদের যাতায়াতের জন্য একটি বিধ্বস্ত রাস্তা সংস্কার করে দিয়েছেন। শিক্ষা ও খেলাধুলার বিকাশ ও মাদক নির্মূলে কাজ করছেন। দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে এ ধরনের সদস্য নির্বাচিত হলে দেশের আরও বেশি উন্নয়ন হতো বলে আমরা বিশ্বাস করি।

৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিনা অধিকারী বলেন, ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ একজন ভালো মনের মানুষ। তিনি আমার প্রতিবন্ধী সন্তানের ভাতা করে দিয়েছেন। এ জন্য সে আমার কাজ থেকে একটি টাকাও নেননি।

রুহিদাস অধিকারী ও গুরুদাস অধিকারী বলেন, সিদ্ধার্থ বাড়ৈ না থাকলে আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া করাতে পারতাম না। সে বিভিন্ন সময়ে ছেলে মেয়ের লেখাপড়ার জন্য আমাদেরকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈ বলেন, আমি মনে করি মানবসেবাই পরম ধর্ম। জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে আমি আমৃত্যু মানুষের সেবা করে যেতে চাই। মানুষের সেবা করার জন্য বেশি অর্থের দরকার হয় না। সেবা করার জন্য দরকার একটি ভালো মন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য সিদ্ধার্থ বাড়ৈর কর্মকাণ্ড সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। প্রতিটি ইউনিয়নের সদস্যরা যদি সিদ্ধার্থ বাড়ৈর মতো কাজ করতো, তাহলে আমাদের দেশ দ্রুতই সামনের দিকে এগিয়ে যেত। সিদ্ধার্থ বাড়ৈর কর্মকাণ্ড কান্দি ইউনিয়নে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

পি

RTV Drama
RTVPLUS