Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮

পদ্মায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১৩ কেজির পাঙ্গাশ

পদ্মায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১৩ কেজির পাঙ্গাশ
পদ্মায় জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১৩ কেজির এই পাঙ্গাশটি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের কুশাহাটা এলাকায় পদ্মা নদীতে মঙ্গলবার দিনগত মধ্যরাতে খালেক সরদার ও তার সহযোগীদের জালে ১৩ কেজি ওজনের একটি পাঙ্গাশ মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ১৬ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নেন। মাছটি বর্তমানে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।

বুধবার সকালে দেখা যায়, ৫ নম্বর ফেরি ঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে একটি বড় পাঙ্গাশ মাছ বেঁধে রাখা হয়েছে।

মাছের ক্রেতা শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের পরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে দৌলতদিয়া ঘাট বাজারের দুলাল সরদারের আড়ত থেকে তারা (নুরুল ইসলাম ও সম্রাট শাহজাহান শেখ) মাছটি দেখে নিলামে অংশ নেন। পাঙ্গাশটি ওজন দিয়ে দেখেন ১৩ কেজি ১০০ গ্রাম। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ১৬ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে কিনে নেন।

স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, মঙ্গলবার দিনগত গভীররাতে পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শেষ প্রান্ত কুশাহাটার পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনা এলাকায় জেলে খালেক সরদার জাল ফেলেন। জেলে খালেক সরদারের বাড়ি গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের অন্তারমোড় এলাকায়। ভোররাতের দিকে জাল টেনে নৌকায় তোলার পর দেখেন বড় একটি পাঙ্গাশ মাছ আটকা পড়েছে। মাছটি ভোরে দৌলতদিয়া বাজারে নিয়ে আসেন। এসময় দুলাল সরদারের আড়তে মাছটি তোলা হলে আড়তদারের আহ্বানে নিলামে শরিক হয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মাছটি কিনেন। পরে মাছটি ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন।

শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের পরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, মাছটি অনেক আগে ধরা পড়ায় পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। মাছ বিক্রি করতে ঢাকা, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রির জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। ১৩০০ টাকা কেজি দরে দাম হাঁকছি। কেজি প্রতি ৫০ টাকা করে লাভ পেলে বিক্রি করবো। বর্তমানে করোনায় লকডাউনের কারণে মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশি ভালো না থাকায় আগের মতো বড় মাছ কিনতে চায় না।

গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল শরীফ বলেন, পদ্মা নদীর মাছ এমনিতেই অনেক সুস্বাদু। পদ্মা নদীর এ ধরনের বড় মাছের চাহিদা সব সময় রয়েছে। নদীর পানি শুকিয়ে নালা সংকুচিত হওয়ায় কাতলা জাতীয় বড় মাছ ধরা পড়ছে বেশি।

পি

RTV Drama
RTVPLUS