Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি বন্দী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি বন্দী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি বন্দী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা কারাগারে ধারণক্ষমতার ৩ গুণের বেশি বন্দী বর্তমানে কারাগারটিতে অবস্থান করছে। এমন অবস্থায় (২৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার ও গতকাল শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) ৭০ বন্দীকে কুমিল্লা ও ফেনী কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

জেলা কারাগার সুত্র জানায়, কারাগারটির বন্দী ধারণক্ষমতা ছয়শো। সেখানে বর্তমানে কারাগারে সাড়ে ১৭’শ জন। এরমধ্যে কারাগারের একটি দ্বিতল ভবনের সম্প্রসারনের কাজ চলমান থাকায় ওই ভবনে বন্দী রাখা বন্ধ রয়েছে। তিতাস নামের ওই ভবনটি ৬’শ ধারন ক্ষমতার হিসেবের মধ্যে রয়েছে।

কারাগারে মহিলা ব্যারাকসহ মোট বন্দী ভবন রয়েছে ৫টি। প্রায় ৭ মাস আগে তিতাস ভবনটি ৪ তলা করার কাজ শুরু হলে কারাগারের ৬’শ ধারন ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসে। এই ভবনের বন্দীদের অন্য বন্দী ভবনে সরিয়ে নেয়া হয়। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া তাণ্ডবে জড়িতদের গ্রেপ্তারের পর কারাগারের পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে উঠে।

গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত তাণ্ডবের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মোট ৩৯২ জন এই কারাগারে বন্দী রয়েছে। প্রচন্ড গরমের মধ্যে গাদাগাদি অবস্থায় কারাগারের বিভিন্ন বন্দী ভবনে অবস্থান করছেন সাড়ে ১৭’শ বন্দী। যদিও কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে সবসময়ই ১৪/১৫’শ বন্দী থাকে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজত ইসলামের বিক্ষোভ ও হরতাল কর্মসূচিতে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপক তাণ্ডব চলে। হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও সরকার দলের নেতাদের

বাড়িতে।

এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় চারটি ও সরাইল থানায় দুই ও রেলওয়ে থানায় একটিসহ মোট ৫৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয়সহ ৩০/৩৫ হাজার লোককে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। এরইমধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৩৯২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলা কারাগারের জেলার মো. মাসুদ হাসান অতিরিক্ত বন্দী থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ঈদের আগে বা পরে দ্বিতল ভবনটির ৪ তলায় সম্প্রসারনের কাজ শেষ হবে। এটি তাদের বুঝিয়ে দেয়া হলে বন্দী স্থান সংকুলানের সমস্যা কিছুটা দূর হবে।

জেলা কারাগারের জেলার মো. মাসুদ হাসান আরও বলেন, সহিংসতার সন্দেহজনক বন্দীদের নিরাপত্তাজনিত কারণে এবং স্থান সংকুলানের সমস্যায় গত দু’দিনে ৭০ জন বন্দীকে কুমিল্লা ও ফেনী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার ৫০ জনকে কুমিল্লায় এবং শুক্রবার ২০ জনকে ফেনী কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলে পরবর্তীতে আরো বন্দী স্থানান্তর হতে পারে বলে জানান তিনি

এমআই

RTV Drama
RTVPLUS