logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ৬ বৈশাখ ১৪২৮

যে কারণে রণক্ষেত্র হয় সালথা

সরকারি অফিসে ভাঙচুর

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের দেয়া লকডাউন বাস্তবায়নের নির্দেশনা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই ঘটনার উৎপত্তি। সোমবার (৫ এপ্রিল) সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশাসনের লোকজনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সালথা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় থানা, উপজেলা পরিষদ এবং এসিল্যান্ডের কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলিমুজ্জামান বলেন, লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে জনতার সঙ্গে কর্মকর্তাদের ভুল বোঝাবুঝি হয়। এতে উভয় পক্ষ তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা পরিষদ, থানা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনসহ বিভিন্ন অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট, ফাঁকা গুলি ছুড়ে।

আরও পড়ুনঃ মামুনু‌লের প‌ক্ষে ফেসবুকে পোস্ট, পদ হারালেন ছাত্রলীগ নেতা

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুজ্জামান জানান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা হিরামনির ফোন পেয়ে পুলিশ উপজেলার ফুকরা বাজারে যায়। সেখানে উত্তেজিত জনাতা পুলিশের ওপরে হামলা করে। এতে এসআই মিজানুর রহমান মাথায় আঘাত পান। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মারুফা সুলতানা হিরামনি জানান, রুটিন ওয়ার্কে বিভিন্ন বাজারে গিয়েছিলাম। ফুকরা বাজারে সন্ধ্যার আগে যাওয়া হয়। বাজারে চায়ের দোকানে লোকজনের জটলা দেখে তাদের সরে যেতে বলা হলেও তারা কর্ণপাত করেনি। এ সময় তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার পরে বিক্ষোভকারীরা আমার অফিস, গাড়ি ও ইউএনও স্যারের অফিস ভবন ও তার গাড়ি পুড়িয়ে দেন।

এ ঘটনায় পুলিশসহ আহত হয়েছে ৩০ জন। আহতদের নগরকান্দা ও ফরিদপুর মেডিকেলে ভতি করা হয়েছে।

এমকে

RTV Drama
RTVPLUS