logo
  • ঢাকা বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭

নোয়াখালীতে গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মুজাক্কির মারা গেছেন

Journalist Muzakki was shot dead in Noakhal
নোয়াখালীতে গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক মুজাক্কির মারা গেছেন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির (২৫) মারা গেছেন।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত পোনে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তিনি। এর আগে শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত পৌনে একটার দিকে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া।

নিহত মুজাক্কির উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুযারি) রাত ৮টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আলাউদ্দীন জানান, শুক্রবার দিনগত রাতে বোরহানউদ্দিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরপরই তার অবস্থা খারাপ থাকায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। তার গলায় ছড়াগুলির আঘাত ছিল।

এর আগে, বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট তরকারি বাজারের সামনে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় সাংবাদিক মুজাক্কির সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় গুলিবিদ্ধ হন।

স্থানীয়রা জানান, আবদুল কাদের মির্জা বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ভেঙে দিলে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর জের ধরে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল অভিযোগ করেন, আবদুল কাদের তার ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। এ অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট বাজারে শুক্রবার বিকেলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন বাদল।

এরপর কাদের মির্জার সমর্থকদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আবদুল কাদের মির্জা এলে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয় এবং তারা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে সাংবাদিক মুজাক্কিরসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন দুপক্ষের অন্তত ৩০ জন। আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

জিএম/পি

RTV Drama
RTVPLUS