logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ২০ ফাল্গুন ১৪২৭

২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি বেনাপোল কাস্টম হাউজে

২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি বেনাপোল কাস্টম হাউজে
ফাইল ছবি

২০০০ সালে চালু হয় বেনাপোল কাস্টম হাউজ। এর আগে মোংলা কাস্টমের অধীন ছিল। গত ২০ বছরেও বেনাপোল কাস্টম হাউজে লোকবল নিয়োগ করা হয়নি। এতে কাজের জট হচ্ছে কাস্টম হাউজটিতে। সবশেষ ২০১৮ সালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ১৮২টি শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আহ্বান করলেও সেটির বাস্তবায়ন হয়নি। কর্তৃপক্ষ বলছেন, করোনাকালে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। তবে লোকবল সংকটে কাজের গতি কমছে না।

কাস্টম সূত্র জানায়, বেনাপোল কাস্টম হাউজে মোট মঞ্জুরীকৃত পদের সংখ্যা ৩৩৬টি। এর মধ্যে শূন্যপদের সংখ্যা ১৭১টি। প্রথম শ্রেণির ৪৩টি পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ৮টি পদ, দ্বিতীয় শ্রেণির ১২৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৮২ জন। শূন্য রয়েছে ৪২টি পদ। তৃতীয় শ্রেণির ১৫১টি পদের মধ্যে শূন্য পদ রয়েছে ১১৩টি এবং চতুর্থ শ্রেণির ১৮টি পদের স্থলে ৮টি পদ শূন্য রয়েছে। এরমধ্যে অতিরিক্ত কমিশনারের দু’টি পদের বিপরীতে একটি, যুগ্ম কমিশনারের দু’টি পদের স্থলে একটি, সহকারী কমিশনারের ৮টি পদের স্থলে ৫টি, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার ৩৮টি, উচ্চমান সহকারীর ২১টি পদের বিপরীতে সবকটি, গাড়ি চালকের ১১টি পদের মধ্যে ১০টি এবং সিপাহীর ৮৯টি পদের বিপরীতে ৫৪টি পদ শূন্য রয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পদে লোকবল চলছে যশোর ও খুলনা ভ্যাট অফিসের জনবল দিয়ে।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, দেশের স্থলপথে আমদানি-রপ্তানির ৭০ শতাংশ হয় বেনাপোল দিয়ে। এখানে লোকবল শূন্য থাকা একদমই উচিত নয়। এতে অন্য জনবলের উপর বেশি চাপ পড়ে। কাস্টমের লোকবল পূরণ এবং বন্দরের সক্ষমতা বাড়লে বেনাপোল দিয়ে সরকারের রাজস্ব দ্বিগুণ আদায় হতো।

যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান জানান, কাস্টমের জনবল কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে কাজের গতি কমে যায়। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। আবার যারা কর্মরত আছেন তাদেরকে বাড়তি কাজের চাপ নিতে হচ্ছে। এজন্য সরকারকে দ্রুত বেনাপোল কাস্টমে লোকবল নিয়োগ দিতে হবে। তাহলে ব্যবসায়ীদের জন্য কাজের সুবিধা বাড়বে।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, করোনাকালে নিয়োগ সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিয়োগ হবে। আর লোকবল তেমন সংকট নেই। কেননা সবকাজ করে থাকেন রাজস্ব কর্মকর্তারা। সেখানে কোনও ঘাটতি নেই।

এসআর/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS