logo
  • ঢাকা সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭

খালের কালো পানি ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

খালের কালো পানি ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, অতিষ্ঠ গ্রামবাসী

যশোরের কেশবপুরে খোঁজা খালের পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় পানির রং কালো হয়ে গেছে। সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। এ কারণে আশপাশের লোকজন ভোগান্তিতে পড়েছেন। খালের পানি হরিহর নদে গিয়েও দূষণ ঘটাচ্ছে।

খালের পানি দূষিত হওয়ার বিষয়ে স্থানীয় জানান, বোরো আবাদের জন্য বিল বলধালিসহ উজানের এলাকার অসংখ্য মাছের ঘের সেচ দিয়ে পানিশূন্য করা হচ্ছে। এই পানি খোঁজা খাল দিয়ে বের হচ্ছে। অনেক ঘেরে পানি দূষিত থাকে। আবার এলাকার পোলট্রি খামারের মল খালে ফেলার কারণেও পানি দূষিত হয়।

বলধালি বিলের মূলগ্রাম থেকে খোঁজা খালের সৃষ্টি। এটি হাবাসপোল, মধ্যকুল গ্রাম হয়ে শহরের শ্রীগঞ্জ পুরনো সেতু এলাকায় হরিহর নদের সঙ্গে মিশেছে। এর দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার। বর্ষা মৌসুমে মনিরামপুর এলাকার পানি এই খাল দিয়ে হরিহর নদে পড়ে।

এক সপ্তাহ ধরে খোঁজা খালের পানি কালো হয়ে গেছে। পানি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। কেশবপুর শহরের পুরনো বাস-স্ট্যান্ড থেকে হাবাসপোল সেতু পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে দেখা যায় খালের পানির রং কালো। কয়েক জায়গায় দেশি জাতের ছোট মাছ মরে ভেসে উঠছে। পুরোনো বাস-স্ট্যান্ড এলাকার সেতুটি দিয়ে চলাচলের সময় অনেকে নাকে কাপড় দিয়ে পার হচ্ছেন।

মধ্যকুল এলাকার রাবেয়া খাতুন বলেন, পানির দুর্গন্ধে পেট ফুলে উঠতেছে। বাড়িতে আমরা থাকতে পারছি না।

কেশবপুর শহরের পুরনো বাস-স্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা দীপঙ্কর অধিকারী বলেন, পানির দুর্গন্ধে বাসা বাড়িতে থাকতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ সম্পর্কে কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সী আসাদুল্লাহ আরটিভি নিউজকে বলেন, পানি দূষণের অভিযোগ পেয়েছি। দূষণ এলাকা ঘুরে কারণ খুঁজে উপজেলা উন্নয়ন সভায় বিষয়টি আলোচনা করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম এম আরাফাত হোসেন আরটিভি নিউজকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জানি না। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখছি কি কারণে পানি দূষিত হয়েছে।

জিএম/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS