logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১১ মাঘ ১৪২৭

আনুশকাহ হত্যা

রাজধানীর ডলফিন গলি থেকে গোপালপুরের কবরস্থান (ভিডিও)

দিহান×বৃহস্পতিবার×সহকারী×বাংলাদেশ×ঘটনা×
আরটিভি নিউজ
ঘটনার সূত্রপাত

গেলো সাত জানুয়ারি দুপুর। রাজধানীর ৬৩/৪, লেক সার্কাস ডলফিন গলিটির মানুষের জীবন-যাপন অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু কেউ কি জানতো এই গলিরই একটি বাসায় ঘটে চলছে বীভৎস এক ঘটনা? কলাবাগান ইংলিশ মিডিয়াম মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেল (১০) শ্রেণির ছাত্রী আনুশকাহ নূর আমিনকে পরীক্ষার সাজেশন্স দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গেছেন তার বন্ধু ফারদিন ইফতেখার দিহান। সেখানেই দিহানের বিকৃত যৌন লালসার শিকার হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন আনুশকা। তারপর ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীকে আনোয়ার মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর সেখান থেকেই দিনহান ও তার বন্ধুরা আনুশকার মাকে ফোন দিয়ে প্রথমে বলে, আনুসকা সেন্সলেস হয়ে পড়েছে। তাকে আনোয়ার মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। বাসা থেকে সুস্থ মেয়ে বেড়িয়ে গিয়ে কিভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লো; তা ভাবতে ভাবতে আনোয়ার মর্ডান হাসপাতালের দিকে রওয়ানা দেন আনুশকাহ নূরের মা। রাস্তায় থাকতে থাকতে আরেকটি ফোন আসে। ‘আন্টি ও মারা গেছে’। হাসপাতালে পৌঁছে আনুশকার মা দেখেন প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে তার মেয়ে মারা গেছে। এরপরই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইফতেখার দিহানসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন...
কলাবাগানে দিনদুপুরে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ

মামলা

আনুশকাহ নূরের মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই দিহানকে একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন তার বাবা। মামলার পরপরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দিহানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর গতকাল  শুক্রবার কলা কলাবাগান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আ ফ ম আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, ফারদিন ইফতেখার দিহান নামের এক তরুণকে আসামি করে গেলো বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা।

আরও পড়ুন...
জবানবন্দী শেষে কারাগারে আনুশকার বন্ধু দিহান

দিহানের ধর্ষণের কথা স্বীকার

ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাতে নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, মেয়েটির শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন পাইনি। প্রাথমিক জ্ঞিাসাবাদে আসামি দিহান জানিয়েছেন, তিনি আনুশকাহকে ধর্ষণ করেছেন। সে সময় দিনহান পুলিশকে একথাও জানিয়েছেছিল, আনুশকার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো।

আরও পড়ুন...
জবানবন্দী শেষে কারাগারে আনুশকার বন্ধু দিহান

রক্তক্ষরণে মৃত্যুর কারণ খুঁজতে আলামত সংগ্রহ

আনুশকাহ নূর আমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আলামত সংগ্রহ করে সিআইডি।গতকাল  রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, কলাবাগানের এই মর্মান্তিক ঘটনায় দিহানের নামে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তাকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ড নেয়ার পর প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাবে। একইসঙ্গে ময়নাতদন্ত হচ্ছে। আমরা সুরতাল করার সময় সিআইডির মাধ্যমে তার ভ্যাজাইনার সোয়াপ রেখেছি। ময়নাতদন্ত থেকে ক্যামিকেল পরীক্ষার জন্য আলামত রাখা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই টোটালি সিদ্ধান্তে আসা যাবে। আসলে কিভাবে মার্ডারটা হয়েছে।

আরও পড়ুন...
আনুশকার মৃত্যু রহস্য আটকে আছে কেমিক্যাল রিপোর্টে

বাসা থেকে আলামত জব্দ

নিউমার্কেট অঞ্চেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার আবুল হাসান বলেন, গেলো বৃহস্পতিবার দিহানকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে ছাত্রীটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। দিহানের দাবি মেয়েটি তার পূর্ব পরিচিত। বাসার সবাই ঢাকার বাইরে থাকার সুযোগে মেয়েটিকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরপরই মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তিনি তাকে প্রাইভেটকারে করে আনোয়ার খান মডেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাইভেটকারটি জ্বদ করা হয়েছে। তার বাসার যে কক্ষে ঘটনা ঘটেছে, সেখান থেকে আলামত জব্দ করা হয়েছে।

আনুশকার ময়নাতদন্ত

আনুশকা নূর আমিনের ময়নাতদন্ত গতকাল শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

ময়নাতদন্ত শেষে ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট যোনি ও পায়ুপথে আঘাত এবং রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে ধস্তাধস্তির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছে কিনা, তার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে কেমিক্যাল পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ফলে যৌন ও পায়ু পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণের আগে আনুশকা নূরকে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা সেটি কেমিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে।

এর আগে বয়স নির্ধারনের জন্য ওই ছাত্রীর মরদেহের এক্স-রেসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়। পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যান।

আরও পড়ুন...
ধর্ষণের পর হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ২৬ জানুয়ারি

বয়স নিয়ে সমস্যা:

মামলায় ও পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে আনুশকাহর বয়সের গরমিল থাকায় ময়নাতদন্ত নিয়ে স্কুলছাত্রীর স্বজনেরা ভোগান্তির শিকার হন। ছাত্রীর মামা বলেন, মামলায় তার ভাগনির বয়স লেখা হলেও সুরতহাল প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে ১৯ বছর। আর যে কারণে ময়নাতদন্তের দেরি হয়। এ নিয়ে তারা দিনভর ভোগান্তিতে পড়েন। ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ থেকে ছাত্রীর বয়স নির্ধারণ এক্স-রে করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ থেকে কলাবাগান থানার পুলিশকে ডেকে এনে সুরতহাল প্রতিবেদনের বয়স ঠিক করা হয়। এরপর মরদেহের ময়নাতদন্ত শুরু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে আনুশকার লাশ সন্ধ্যার দিকে কুষ্টিয়ায় দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন...
ধর্ষণের পর হত্যার শিকার সেই স্কুলছাত্রীর বয়স নিয়ে জটিলতা

জবানবন্দি শেষে কারাগারে দিনহান

আনুশকাহকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তানভীর ইফতেখার দিহান আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার আগে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ম্যাজিস্ট্রেট গতকাল শুক্রবার দিহানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গেলো বৃহস্পতিবার রাতে কলাবাগান থানায় আনুশকাহর বাবার করা মামলায় শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে দিহানকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নেয় পুলিশ। আসামি দিহানকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান। কিন্তু দিহান দোষ স্বীকার করে জবানবন্দী দিতে রাজি হওয়ায় আর তাকে রিমান্ডে না দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। পুলিশ জানিয়েছে, ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় আটক বাকি তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মেয়েটির মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে।

মৃত্যুরহস্য আটকে ছিলো কেমিক্যাল রিপোর্টে

আনুশকা নূর আমিনের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য আটকে ছিলো কেমিক্যাল রিপোর্টে। গতকাল শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

ময়নাতদন্ত শেষে ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট যোনি ও পায়ুপথে আঘাত এবং রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে ধস্তাধস্তির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

তিনি তখন আরও বলেন, ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছে কিনা, তার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে কেমিক্যাল পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ফলে যৌন ও পায়ু পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণের আগে আনুশকা নূরকে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা সেটি কেমিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে।

ফরেনসিক রিপোর্ট

আনুশকা নূর আমিনের মৃত্যুতে ফরেনসিক রিপোর্ট প্রকাশ হয় গতকাল শুক্রবার।রিপোর্টে যোনি ও পায়ুপথে আঘাত এবং রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা গেছে। বিকৃত যৌনাচারে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই মৃত্যু হয়েছে আনুশকার।

গতকাল শুক্রবার ময়নাতদন্তের পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ওই শিক্ষার্থীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যৌনাঙ্গ ও পায়ুপথ- দুই দিক দিয়েই রক্তক্ষরণ হয়েছে। চেতনানাশক কোনও কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা সেজন্য নমুনা সংগ্রহ ও ঘটনাস্থলে একাধিক ব্যক্তি ছিল কিনা সেজন্য ডিএনএ নমুনা এবং ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পুলিশ সুরতহাল রিপোর্টে বয়স জানতে চেয়েছে। সে কারণে মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এক্সরে বিভাগে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে এক্সরে করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এক্সরে ছাড়াই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছি। শরীরের গঠন ও দাঁত দেখে বয়স নির্ধারণ করা হবে।

আরও পড়ুন...
বিকৃত যৌনাচারে আনুশকার মৃত্যু: ফরেনসিক রিপোর্ট

চিরনিদ্রায় শায়িত আনুশকা

আনুশকাহ নূর আমিনকে কুষ্টিয়ায় গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কবরের পাশে কবর দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার সকালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কমলাপুরের গোপালপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল ৭টা ৫ মিনিটের সময় গোপালপুর ঈদগা মাঠে তার নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শুক্রবার দিনগত রাত ১টার দিকে আনুশকার মরদেহ ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ভোর থেকেই শত শত মানুষ তাকে শেষবার দেখতে ভিড় করেন। নিকট আত্মীয় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন বাবা আল আমিন আহম্মেদ। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

আরও পড়ুন...
ধর্ষণের পর হত্যা: আনুশকার দাফন সম্পন্ন, হত্যাকারীর দ্রুত শাস্তি চান এলাকাবাসী

বিচার চেয়ে এলাকাবাসী মানববন্ধন

আনুশকার দাফন শেষে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকারীর দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা।

কমলাপুর বাজারে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে শত শত মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে স্কুলছাত্রীর বাবা আল আমিন আহম্মেদ, ছোটভাই নিভানসহ আত্মীয় স্বজনরাও উপস্থিত ছিলেন।

সবাই এই হত্যার দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এমন ঘটনা যেন আর কারও সঙ্গে না ঘটে সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

বাবা আল আমিন আহম্মেদ বলেন, দ্রুত আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আর কেউ জড়িত থাকলে তাকে খুঁজে বের করতে হবে।

এছাড়াও মামলায় ও সুরতহাল রিপোর্টে আনুশকার বয়স দুই বছর বাড়ানো হয়েছে দাবি করে এর প্রতিবাদও জানান তারা। আনুশকার আত্মীয় অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন সেনা বলেন, মামলায় এই বয়স প্রভাব ফেলবে। তাই এই বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দাবি করেন তিনি।

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS