logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী, আরটিভি নিউজ

  ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:২৫
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:৪৬

পুলিশের এএসআইয়ের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও মানুষের মোবাইলে মোবাইলে(ভিডিও সহ)

The video of the announcement, of the ASI of the police, rtv news
ছবি আরটিভি নিউজ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হারুনুর রশীদের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন।

এদিকে এএসআই হারুনকে তাহেরপুর ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহারের পর তার অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এএসআই হারুনের চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, আটক বাণিজ্য ও মাদক বাণিজ্যে তার সম্পৃক্ততার অনেক কাহিনী বের হয়ে আসছে।

তবে টাকা গুণে প্রকাশ্যে ঘুষ নেয়ার ভিডিওটি লকডাউনের সময়ের বলে জানা গেছে।

লকডাউনে দোকানপাট খুললেই এএসআই হারুনকে ঘুষ দেয়া বাধ্যতামূলক ছিলো। তবে এএসআই হারুণ অবশ্য এ নিয়ে এখন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, লকডাউনের সময়ে বাগমারার সাজুড়িয়া গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী লেদ আজাদকে হেরোইন ও ইয়াবাসহ আটক করে এএসআই হারুন মোটা টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেন। রামরামা হাজরাপুকুর গ্রামের সুবদের ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী সনাতন দাসকে মাদকসহ আটকের পর টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন এবং আটক গাঁজা হারুন আরেক মাদক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেন।

স্থানীয়রা অভিযোগে আরও জানান, তাহেরপুরের পার্শ্ববর্তী পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামের ইমন নামে এক ছাত্রকে ১০টি ইয়াবা দিয়ে সাজানো মামলায় চালান করেন হারুন।

ইমনের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে প্রতিপক্ষ এএসআই হারুনকে টাকা দিয়ে এই কাজ করায়।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, এএসআই হারুণের মূল কাজই ছিল দোকানে দোকানে চাঁদাবাজি করা আর মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা।

এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, করোনাকালে লকডাউনের সময় তাহেরপুর বাজারের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে ঢুকে তিন হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন এএসআই হারুন। জলন্ত সিগারেট মুখে রেখে সে দোকানদারের সঙ্গে দেন-দরবারের পর দুই হাজার টাকা ঠিক হয়। পরে টাকা গুণে দেখে সে আরও এক হাজার টাকা দাবি করেন। পুরো টাকা নিয়েই সে এক পর্যায়ে দোকান ত্যাগ করেন।

রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলমের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি বেশ আগের তাই প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না আসলে ঘটনাটি কী তবে বিষয়টি নজরে আসায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাহেরপুর ফাঁড়ি থেকে এএসআই হারুনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। তার বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা রয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেবি

RTV Drama
RTVPLUS