logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৭

৬ বছর পলাতক থেকে আত্মসমর্পণ সাবেক মেয়রের, জেল হাজাতে প্রেরণ

৬ বছর পলাতক থেকে আত্মসমর্পণ সাবেক মেয়রের, জেল হাজাতে প্রেরণ
পলাতক থেকে আত্মসমর্পণ সাবেক মেয়রের, জেল হাজাতে প্রেরণ
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খাঁন মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে অতিরিক্ত প্রথম জেলা ও দায়রা জজের বিচারক মো. সিকান্দর জুলকার নাইন।

সহিদুর রহমান খাঁন মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খাঁনের ছেলে ও সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ছোট ভাই।

এর আগে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর আজ বুধবার সকালের দিকে হঠাৎ প্রথম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। এসময় তার সঙ্গে টাঙ্গাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খাঁন ও ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তার বড় ভাই আমানুর রহমান খাঁন রানা।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশলী (পিপি) মনিরুল ইসলাম খান জানান, সকাল পৌনে ১১টার দিকে সহিদুর রহমান তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে সঙ্গে নিয়ে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে উপস্থিত হন। এসময় তারা আদালত কক্ষের ভেতর অবস্থান নিয়ে আত্মসমর্পণের কাগজপত্র জমা দেন। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিকেল তিনটার দিকে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম আর আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল বাকী মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রফিকুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা করেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা পুলিশ রাজা ও মোহাম্মদ আলীর নামক দুজনকে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গ্রেপ্তার করে। ওই দুই আসামীর জবানবন্দিতে এই হত্যার সঙ্গে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা এবং তার অপর তিন ভাই পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকণ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। তার পরেই আমানুর ও সহিদুরসহ চার ভাই আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে আমানুর ২২ মাস পলাতক থাকার পর আদালতে আত্মসর্মপণ করেন। প্রায় দুই বছর হাজতে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে তার অপর দুই ভাই এখনো পলাতক রয়েছেন। আদালতে এ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

এসএস

RTV Drama
RTVPLUS