logo
  • ঢাকা শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

রায়হান হত্যায় এসআই আকবর পলাতক: পুলিশ সদরে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি

SI Akbar, Raihan murder, investigation, police
ফাইল ছবি
সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন চালিয়ে রায়হান নামের যুবককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরকে কারা পালাতে সহায়তা করেছে তা খতিয়ে দেখতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। কমিটিকে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের একজন সহকারী মহাপরিদর্শককে (এআইজি) এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে। তার নেতৃত্বের আরও ২ জন কর্মকর্তা এই ঘটনাটি অনুসন্ধান করে দেখবেন।

গত ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে রায়হানকে তুলে নিয়ে কোতোয়ালি থানাধীন বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করে পরিবার। সকালে তিনি মারা যান। নির্যাতন করার সময় এক পুলিশের মুঠোফোন থেকে রায়হানের পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা সকালে ফাঁড়ি থেকে হাসপাতালে গিয়ে রায়হানের মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনার শুরুতে ওই ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ছিনতাইকারী সন্দেহে নগরের কাস্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে রায়হান নিহত হয়েছেন বলে প্রচার চালায়। কিন্তু গণপিটুনির স্থান হিসেবে যেখানকার কথা বলেছিল পুলিশ, সেখানে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্থাপন করা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায় এমন কোনও দৃশ্য দেখা যায়নি।

পরদিন রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সিলেট কোতোয়ালি থানায় রায়হানের স্ত্রী তানিয়া আক্তার তান্নি বাদী হয়ে মামলা হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বন্দরবাজার ফাঁড়ির পুলিশের বিরুদ্ধে তার স্বামীকে নির্যাতন করে মেরে ফেলার অভিযোগ করেন তিনি। মামলাটি ২০১৩ সালের ‘নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে’ এর ধারায় দায়ের করা হয়। এরপর থেকেই এসআই আকবর গা ঢাকা দেয়। মামলা রুজুর পর থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

কেএফ/এসএস 

RTVPLUS