logo
  • ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭

আউশের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

  সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

|  ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৪:৪২ | আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:৫৩
Ausher bumper crop, smile on farmer's face
ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের কৃষি প্রধান জনপদ মীরসরাই উপজেলার ফসলের মাঠে শুরু হয়েছে আউশ ধান কাটার উৎসব। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আউশের ফলন দেখে কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটেছে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হওয়ায় আউশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। মীরসরাই উপজেলার কৃষকরা উন্নত জাতের (ব্রি. ধান-৪৮) আউশ ধান চাষ করে অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি ফলন পেয়েছে। তবে উপজেলার ১৬ নম্বর সাহেরখালী ইউনিয়নের আউশের আবাদ বেশি হয়েছে বলে জানা যায়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় চলতি মৌসুমে সাত হাজার এক হেক্টর জমিতে আউশ ধান আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা হলেও আবাদ করা হয় সাত হাজার দুইশ’ হেক্টর জমিতে, উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৫ হাজার দুইশ’ মেক্ট্রিক টন। উপজেলাব্যাপী লক্ষ্যমাত্রা চাইতেও বেশি উৎপাদন হবে বলে আশাবাদী।

অতীতের মতো স্থানীয় জাত ও উন্নত জাতের ধান বীজ অনেকেই বিশেষ করে চরাঞ্চলের কৃষকেরা চাষাবাদ করে থাকে। ধান বীজগুলো কাজলআইল, চিনালধান, ভিন্নাতোয়া, ধলবাচাই, বৈলাম, আশ্বিনী, নাজিরআইল, বাধই, হলোই ধান, বাতুইধান, জিইস ধান, পাইজম ধান ইত্যাদি।

সরকারি ধান বিএডিসি, বেসরকারি বীজ কোম্পানির মধ্যে সুপ্রীম সিড কোম্পানি, লালতীর, পাশাপাশি, মল্লিকা সিড, আলফা এগ্রো, ইউনাইটেট, এসিআই, অটো ক্রপকেয়ার এদের উল্লেখযোগ্য বি-৪৮, বি-২৮, বি-৪৩, বি-৭২ নম্বর ধানের বীজগুলো ভালো ফলন দিয়েছে। মূলত হাইব্রীড ধান বীজ যেকোনো মৌসুমে ভালো ফলন দিয়ে থাকে।

আরও জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত এ উপজেলার কৃষক আউশ মৌসুমে স্থানীয় জাতের বীজ আবাদ করতো। এ জাতের আউশ ধানের ফলন খুবই কম হওয়ায় কৃষকরা আউশ ধান আবাদে দিনে দিনে আগ্রহ হারাচ্ছিল। চলিত মৌসুমে আউশের বাম্পার ফলন হওয়ায় আউশ চাষে কৃষকরা আগামীতে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

এদিকে উপজেলার ৯ নম্বর মীরসরাই সদর ইউনিয়নের গড়িয়াইশ গ্রামের (কৃষি বিষয়ক ক্লাব) আইপিএম ক্লাবের সভাপতি আউশ চাষি হানিফ ভুঁইয়া ও সজল দেবনাথ বলেন, আমাদের বাপ-দাদাদের আমল থেকে আমরা আমাদের চাষের জমি থেকে ধান বীজ সংগ্রহ করে সাধারণ চাষাবাদ করতাম। এতে সমস্য হলো বিভিন্ন ধরনের মিশ্রিত ধান হতো এবং ফসল ও কম হতো। ফলে আধুনিক চাষাবাদের তাল মিলিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির উন্নতমানের হাইব্রীড ধান বীজ সংগ্রহ করে ভালো ফলন ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছি।

১৩ নম্বর মায়ানী ইউনিয়নের ঘড়ি মার্কেট এলাকার কৃষক মো. জসিম জানান, সার, বীজ, কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। ফসল যাই হোক না কেন বিগত বছরগুলোতে কৃষক ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রঘুনাথ সাহা বলেন, এই উপজেলার কৃষকরা পূর্বে স্থানীয় আউশ ধানের আবাদ করত। এই বছর সরকার কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ও বীজ, সার দিয়ে চাষিদের উৎসাহিত ও সহযোগিতা করেছে। এতে কৃষকেরা উৎসাহিত হয়ে ব্যাপক চাষ করেছে এবং বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

আরও পড়ুন 

জেবি

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৫৫৪৯৩ ২৬৫০৯২ ৫০৭২
বিশ্ব ৩,২১,৯৬,৬৫৫ ২,৩৭,৫১,১৩৪ ৯,৮৩,৬০৯
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়