• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo

৪ বছর পূর্তিতে উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরলেন মেয়র আতিক

আরটিভি নিউজ

  ১৩ মে ২০২৪, ১৮:৪৫

নিজের মেয়াদকালে শহরে যত উন্নয়ন হয়েছে তার দীর্ঘ বর্ণনা তুলে ধরেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের ৪ বছর পূর্তি হয়েছে। যারা ভোট দিয়ে সেবার সুযোগ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। সবার গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা সাদরে গ্রহণ করে সমস্যা উতরানোর পথ বের করার চেষ্টা করেছি।

সোমবার (১৩ মে) গুলশান নগরভবনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের ও কাউন্সিলরদের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, নির্বাচনের আগে নগরবাসীর প্রতি আমরা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম। আমার নির্বাচনী ইশতেহার ছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলার। নগরবাসী আমাকে তাদের সেবক নির্বাচন করেছেন। আমি পুরোটা সময় চেষ্টা করেছি প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের। বিগত ৪ বছরে যতগুলো সফলতা রয়েছে তার সব কৃতিত্ব নগরবাসীর। তাই আজ ভালো-মন্দ কাজের বিচারভার প্রিয় নগরবাসীর হাতে তুলে দিলাম।

গত চার বছরে দায়িত্ব পালনে নিজের ব্যর্থতা সম্পর্কে মেয়র বলেন, ব্যর্থতা তো আছেই। আমাদের একটি আধুনিক পশু জবাইখানা করার কথা ছিল। এটি এখন পর্যন্ত আমরা করতে পারিনি। আর সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগে যখন দেখি সবাই আমার চিন্তা করে, আমাদের চিন্তা করে না। এই আমার চিন্তা করে সব শেষ হয়ে গেছে। খাল যখন দেখি দূষণ হয়ে যাচ্ছে, তখন খারাপ লাগে। কীভাবে মানুষ বাথটাব, টেলিভিশন, ফ্রিজ, জাজিম খালের মধ্যে ফেলে দেয়? এতে তো জলাবদ্ধতা হবেই।

এ সময় খাল উদ্ধারের বিষেয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমার মনে শান্তি হচ্ছে না। বাড়ির বর্জ্য যেসব পাইপের মধ্য দিয়ে খালে ফেলা হয়, সেই প্রতিটি পাইপে কলাগাছ ঢুকাতে পারলে মনে শান্তি পেতাম। আমার ব্যর্থতা এখানে। কারণ, কীভাবে বারিধারা, গুলশানের লোকেরা খালের মধ্যে কালো বর্জ্য দিয়ে দিচ্ছে। এটি অত্যন্ত কষ্ট লাগে আমার।

এ সময় সাংবাদিকরা তার সফলতা সম্পর্কে জানতে চান। মেয়র আতিক বলেন, পরীক্ষা যে দেয় সে রেজাল্ট দেয় না। সুতরাং, আমরা পরীক্ষার মধ্যে আছি, আমরা পরীক্ষা দিয়েই যাচ্ছি। পরীক্ষার ফলাফল আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা দেবেন।

আগামী এক বছরের পরিকল্পনা সম্পর্কে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি আগামী এক বছরে খালের দিকে ফোকাস দিতে চাই। এই খালগুলোকে পুনরুদ্ধারে আমি বেশি গুরুত্ব দিতে চাই। আমি আমার কাউন্সিলরদের বলেছি, খালের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ কারওয়ান বাজারকে স্থানান্তর করা। এটি আমরা হাতে নিয়েছি, আশা করি এটিও আমরা সফলতার সঙ্গে করতে পারবো। আর ডিএনসিসির ১৮টি ওয়ার্ডকে আমাদের সাজাতে হবে এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, সচিব (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন

মন্তব্য করুন

daraz
  • রাজধানী এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ডিএনসিসির নতুন ১৮ ওয়ার্ডের উন্নয়নে প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু রোগীর বাড়িসহ আশপাশে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে ডিএনসিসির কুইক রেসপন্স টিম গঠন
খাল থেকে উদ্ধার ‘ডানাকাটা পরী’, আছে খাট-সোফা-লাগেজও
X
Fresh