logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

কাদের সুস্থ হয়ে ফিরলে তাকে নিয়ে ব্রিজ দেখতে যাব: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৬ মার্চ ২০১৯, ১৩:০৬
ওবায়দুল কাদেরের জন্য দোয়া করবেন, যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে এসে পুরো উদ্যমে কাজ করতে পারেন। দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু নিয়ে আমাদের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনেক আগ্রহ ছিল। কথা ছিল সেখানে গিয়ে আমি ব্রিজটি উদ্বোধন করবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য ওবায়দুল কাদের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওবায়দুল কাদের ফিরে এলে তাকে নিয়ে ব্রিজ পরিদর্শনে যাবো।  বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকাল ১০টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু, ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ভুলতার চার লেন বিশিষ্ট ফ্লাইওভার উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ৩ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন। তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরও তিনটি নদীর ওপর চারলেনের সেতু নির্মিত হবে। ঢাকা-চট্টগ্রামের রাস্তা চারলেন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চালকদের কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা হয়। দেখা যায় চালক ক্লান্ত, গাড়ি চালাতে দেন হেলপারকে। এটাও একটা অপরাধ। হেলপারের লাইসেন্স আছে কি না সেটাও দেখতে হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক সেতুতে ওয়েট মেশিন থাকা দরকার। যানবাহনগুলো ওভারলোডেড কি না তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এছাড়া আমাদের তো বিকল্প ব্যবস্থাও রয়েছে। যেসব পণ্য দ্রুত পচনশীল নয় সেসব পণ্যবাহী যানবাহন ফেরির মাধ্যমে পারাপারের ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। উন্নয়নের জন্য আমরা অনেকগুলো মেগাপ্রকল্প হাতে নিয়েছি। শুধু শহর নয়, আমরা গ্রামেরও উন্নয়ন চাই।

উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। 

সংশ্লিষ্টরা বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে নির্মিত ৩৯৭ দশমিক ৩ মিটার দৈর্ঘ্যের চারলেন বিশিষ্ট দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯৫০ কোটি টাকা। এছাড়া আগের কাঁচপুর সেতু পুনর্বাসনের ফলে এর আয়ুষ্কাল নির্ধারিত ৫০ বছর মেয়াদের সঙ্গে আরও ৪০ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় চারলেন বিশিষ্ট ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৫৩ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। এছাড়া জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কে ৫৪ দশমিক ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে লতিফপুর রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।

এমসি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়