Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

পাশে দাঁড়ায়নি কেউ: পরিবহন শ্রমিকদের বিক্ষোভ রোববার

পাশে দাঁড়ায়নি কেউ: পরিবহন শ্রমিকদের বিক্ষোভ রোববার

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে গত ১৪ এপ্রিল থেকে আগামী ৫ মে পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এ সময়ে গণপরিবহনের শ্রমিকদের পাশে বাস মালিক ও প্রশাসন কেউ নেই। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় চরম বিপর্যয়ে পড়েছেন দেশের পরিবহন শ্রমিকরা।

পরিবহন শ্রমিকরা বলেন, লকডাউনে আয় বন্ধ হলেও বাস মালিক বা প্রশাসনও তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এ পরিস্থিতিতে পরিবহন শ্রমিকদের সংগঠনগুলো দেশজুড়ে রোববার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, এবার গণপরিবহন বন্ধের পর সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার কথা বলা হলেও তা শ্রমিকদের কাছে খুব একটা পৌঁছায়নি। আবার মালিকরাও এ সময়টিতে তাদের তেমন কোন সহায়তা করেনি।

ঢাকা-শেরপুর রুটের যাত্রীবাহী বাসের চালক মো. সাইফুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, আগে তিনি দিন প্রতি ৬০০ টাকা বেতনে কাজ করতেন। কিন্তু গত প্রায় একমাস ধরে তার কাজ নেই। এর আগে গত বছর মার্চ মাসের পর থেকেই নানা সময়ে তাকে কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করি। কাজ করলে বেতন পাই। আমাদের কোন নিয়োগ দেয়া হয় না। গত লকডাউনে ৭০-৮০ হাজার টাকা লোন করছি। এবার গত এক মাসের বাসা ভাড়া এখনও দিতে পারিনি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সূত্র জানায়, গণপরিবহনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ৫০ লাখ শ্রমিক। এই ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত ২৪৯টা শ্রমিক ইউনিয়ন রয়েছে।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, তারা চাচ্ছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়ার জন্য। অন্যথায় তারা রোববার সারা দেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করবেন। যদিও সরকারের দিক থেকে গণপরিবহন ঈদের আগে চালুর বিষয়েও ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, তবে কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।

এদিকে যাত্রী কল্যাণ সমিতি নামে একটি নাগরিক সংগঠন বলছে, কয়েক লাখ গণপরিবহন শ্রমিকের কোন তথ্যভাণ্ডার নেই বাংলাদেশে। ফলে সরকারি বা বেসরকারিভাবে তাদের কাছে সাহায্য পৌছানো সম্ভব হয়নি এই করোনা মহামারির সময়। সূত্র: বিবিসি

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS