Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

হেফাজত নিয়ে মির্জা ফখরুলের কাছে যে প্রশ্নের উত্তর চাইলেন তথ্যমন্ত্রী

The Information Minister asked Mirza Fakhrul about the Hefajot
ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামকে নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি জানতে চেয়েছেন- যারা মহামারির মধ্যে দুষ্কর্ম করে, তাদের কি গ্রেপ্তার করা যাবে না? করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে হেফাজত নেতাদের গ্রেপ্তার না করতে বিএনপি মহাসচিবের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উল্টো এ প্রশ্ন করেন তথ্যমন্ত্রী।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির পক্ষ থেকে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যম সংস্থার প্রতিনিধিদের মাঝে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই প্রশ্ন রাখেন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এই করোনা মহামারির মধ্যে একটি উগ্রবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। আর অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, তাদের পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব।’

‘যারা নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি, সহায়-সম্পত্তি, যানবাহন জ্বালিয়ে দেয়, ভূমি অফিসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষের জমির দলিলপত্র পোড়ায়, ফায়ার-রেল-পুলিশ স্টেশনে হামলা করে, ঐতিহ্য-পুরাকীর্তি বিনষ্ট করে, অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে আক্রমণ করে, তাদের কি গ্রেপ্তার করা যাবে না! তাদের বিরুদ্ধে কি দেশের ফৌজদারি আইন অকার্যকর করে দিতে হবে?’ প্রশ্ন রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

করোনা মহামারির মধ্যে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগই যে একমাত্র পুরোটা সময়জুড়ে জনগণের পাশে আছে, সেটি গণমাধ্যমে চোখ রাখলেই দেখা যায় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের কর্মীরা কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান এ সময় মহামারির মধ্যে প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে অক্লান্ত কাজ করে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন, ‘আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীকে স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহের জন্য ও এগুলো বিতরণের উদ্যোগের জন্য ডিইউজে নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।’

সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘করোনাকালে ব্যবসায় মন্দার অজুহাতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতি অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও আমার কাছে অগ্রহণযোগ্য। সম্প্রতি যেখানে চাকরিচ্যুতি হয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে এবং সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো চেষ্টা করছে। আশা করব, যাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তাদেরকে পুনর্বহাল করার দিকেই কর্তৃপক্ষ যাবে, এই আমার প্রত্যাশা।’

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিএফইউজে'র সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল এবং দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

পত্রিকা, টিভি, বেতার, অনলাইন গণমাধ্যমসহ প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অতিথিদের হাত থেকে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহণ করেন।

কেএফ

RTV Drama
RTVPLUS