logo
  • ঢাকা রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৩ মাঘ ১৪২৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যাংককে এস্ক্যাপের অধিবেশনে আমন্ত্রণ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:৪৩ | আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:৪৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
এশিয়া ও প্যাসিফিক-এর জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (এস্ক্যাপ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় সংস্থার ৭৬তম বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। খবর বাসস'র।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি ও এস্ক্যাপের নির্বাহী কর্মকর্তা আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আমন্ত্রণ জানান।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এস্ক্যাপের বার্ষিক অধিবেশন সাধারণত মে মাসে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে সালসিয়াহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশে নজিরবিহীন উন্নয়ন এবং উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়ন ও তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি বাংলাদেশের কোন খাতে তারা সহায়তা করতে পারেন জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আরো উন্নয়নে সহায়তা কামনা করেন।

তাঁর সরকারের গৃহীত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে তাঁর সরকারের গৃহীত সকল উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রামকেন্দ্রিক।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমানে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তাঁর সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায়ও বেশকিছু কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এস্ক্যাপের উন্নয়ন কর্মকা- এবং এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্ক, ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে ও স্থলবন্দর নেটওয়ার্ক-এর সমন্বয়ে ইন্টারমোডাল রিজিওনাল নেটওয়ার্ক সমর্থন করে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এটি বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করবে এবং বিভিন্ন ধরনের পরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়াবে।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল (ডিবিআইএন) উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার (বিসিআইএন) উদ্যোগের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংগঠনগুলোর সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগ বাড়লে এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যও বাড়বে।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী নয়, অথচ এ দেশ জলবায়ু পরিবর্তনে বিরূপ প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম।

তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকুল প্রভাব মোকাবেলায় আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ও বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপো উপস্থিত ছিলেন।

পরে এভিয়েশন অপারেটর্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি) সভাপতি অঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবেন সাক্ষাৎ করেন।

দেশে বেসরকারি এয়ারলাইন্স এবং হেলিকপ্টার পরিবহনের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

এ খাত বর্তমানে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তা অবহিত করে তারা সম্ভাবনাময় এ খাতের আরো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং এ খাতের আরো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান ও বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব মো. মহিবুল হক সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বাংলাদেশ এর সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়