logo
  • ঢাকা বুধবার, ২২ জানুয়ারি ২০২০, ৯ মাঘ ১৪২৭

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: সন্ধ্যা নাগাদ প্রভাবমুক্ত হতে পারে দেশ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১০ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৬
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: সন্ধ্যা নাগাদ প্রভাবমুক্ত হতে পারে দেশ
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: সন্ধ্যা নাগাদ প্রভাবমুক্ত হতে পারে দেশ
বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটির অবস্থান ক্রমান্বয়ে উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে আজ রোববার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা নাগাদ বুলবুলের প্রভাবমুক্ত হবে বাংলাদেশ।

আজ রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সম্পর্কে সর্বশেষ তিনি এ তথ্য দেন। 

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা এবং বাগেরহাট অঞ্চলে অবস্থান করছে। এটি তার অবস্থান থেকে ক্রমান্বয়ে উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে মাদারীপুর, ফরিদপুর, ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে। তারপর ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলের দিকে যেতে আরও দুর্বল হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবমুক্ত হতে পুরো দিন লাগবে। আশা করা যাচ্ছে সন্ধ্যার মধ্যে বুলবুলের প্রভাবমুক্ত হবে দেশ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সংকেতে প্রযোজ্য উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের ক্ষেত্রে।

কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৮০-১০০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ও মুন ফেজ এর প্রভাবে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বাংলাদেশ এর সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়