logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

আবরার হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি তোহা গ্রেপ্তার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৮:৫৪
আবরার হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি তোহা গ্রেপ্তার
তোহা
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার মামলার ১১ নম্বর আসামি হোসেন মোহাম্মদ তোহাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান  এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে আজ সকালে আবরার হত্যার ঘটনায় বুয়েটের আরও তিন শিক্ষার্থী অমিত সাহা ও মিজানুর রহমান মিজান ও আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে আজ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, আবরার  হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় অমিত সাহাকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া মিজানুর এবং আরাফাতেরও এই হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ায় তাদের আটক করা হয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যা মামলার এজাহারে অমিত, আবরারের সহপাঠী মিজানুর এবং আরাফাতের নাম নেই। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে অমিতকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর আবরারের সহপাঠী মিজানুরকেও গ্রেফতার করা হয়।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েট ক্যাম্পাসে আলোচনায় আসে অমিত সাহার নাম। সব ছাত্রছাত্রীর মুখে তার নাম। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের উপ-আইনবিষয়ক সম্পাদক তিনি। আবরার হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন অমিত। তার কক্ষেই ডেকে নিয়ে প্রথমে পেটানো হয় আবরারকে।

উল্লেখ্য সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন আবরার ফাহাদ। ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আবরার হত্যার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি যারা: মেহেদী হাসান, সিই বিভাগ (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৩তম ব্যাচ), মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), অনীক সরকার (১৫তম ব্যাচ), মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), ইফতি মোশারফ হোসেন (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), মনিরুজ্জামান মনির (পানিসম্পদ বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাজ, মাজেদুল ইসলাম (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোজাহিদুল (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), তানভীর আহম্মেদ (এমই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ) , জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), আকাশ (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), শাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), তানীম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোয়াজ, মনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ)।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়