logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চাইলেই প্রত্যাবাসন হবে: প্রত্যাবাসন কমিশনার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২১ আগস্ট ২০১৯, ২২:০৭ | আপডেট : ২২ আগস্ট ২০১৯, ০৮:৪৬
রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চাইলেই প্রত্যাবাসন হবে প্রত্যাবাসন কমিশনার
ফাইল ছবি
রোহিঙ্গা সদস্যরা স্বেচ্ছায় স্বদেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাইলেই প্রত্যাবাসন করা হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ঘুমধুম ট্রানজিট পয়েন্ট প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বললেন শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারে সংবাদ সম্মেলনে  তিনি এসব কথা বলেন।

আবুল কালাম বলেন, মিয়ানমারের ‘ক্লিয়ারেন্স’ পাওয়া ২৩৫টি পরিবারের ৩ হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গা সদস্যের সাক্ষাৎকার শেষ হয়েছে। তারা যদি স্বেচ্ছায় স্বদেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান, তাহলেই তাদের প্রত্যাবাসন করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। টেকনাফ জাদিমুরা শালবাগান থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের বহনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে পাঁচটি বাস এবং তাদের মালামাল পরিবহনের জন্য রয়েছে তিনটি ট্রাক।

এদিকে টেকনাফের শালবন ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত আবুল কাশেম বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকত্ব, নিজের বসতবাড়ি ফেরতসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই কেবল আমরা মিয়ানমারে ফিরে যাব। অন্যথায় যাব না। একই ক্যাম্পে বসবাসরত আমির হোসেন নামে আরেকজন বলেন, আমাদের ছয় দফা দাবি না মানলে আমরা ফেরত যাব না।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ অভিমুখে লাখো রোহিঙ্গার ঢল নামে। সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে এদেশে আসে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা। এখন সবমিলিয়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের ৩২টি অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়