logo
  • ঢাকা রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যার দুই পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
|  ২৩ জুন ২০১৯, ২০:৩৫
শীতলক্ষ্যার পূর্ব তীরে গড়ে ওঠা ২৮টি পাকা-আধাপাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে, ছবি: সংগৃহীত
শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে গড়ে ওঠা ২৮টি পাকা-আধাপাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ (রোববার) সকাল থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে শীতলক্ষ্যার পূর্ব তীরে বিআইডব্লিউটিএ ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ এ অভিযান চালায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ৫ম দিনের মতো এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে সংস্থাটির ভ্রাম্যমাণ আদালত। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে একটানা বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে।

সকালে প্রথমে আব্দুল মালেক জুট মিল নামের একটি পাটকলের পাকা দেয়াল, একটি তিনতলা ভবন, দশটি একতলা ভবন ও দেয়ালসহ ২৮টি কাঁচা-পাকা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয় বিকেল পর্যন্ত। আগামীকাল সকাল ১১টা থেকে আবারও বাকি অংশে অভিযান শুরু হবে বলে জানান সংস্থাটির উপ পরিচালক শহিদুল্লাহ।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, শীতলক্ষ্যা নদীর দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের বার বার বলার পরও তারা তাদের স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় আজ থেকে আগামী পাঁচদিনব্যাপী অভিযান চলবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের কর্মকর্তারা জানান, আব্দুল মালেক জুট মিল শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে তিনশ ফুট বাই পঞ্চাশ ফুট জায়গা ভরাট ও দখল করে গুদাম নির্মাণ করেছিল। গত এক বছর আগে কয়েক দফায় নোটিশ দেয়ার পরেও কর্তৃপক্ষ তাদের অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে না নেয়ায় উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া তারা অনুমোদনের কোনো বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি। এছাড়া কাঁচপুর পুরানবাজার এলাকায় নদীর অংশে গড়ে ওঠা তিনতলা একটি পাকা ভবনও ভেঙে দেওয়া হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, তাদেরকে লিখিত নোটিশ না করে, ঠিকমতো সময় না দিয়ে বসতবাড়ি, ঘর ভেঙে দেওয়ায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া আধাপাকা বসতঘরের মালিকদের অভিযোগ নদীর জায়গায় ২-৩ ফুট পড়লেও তারা মালিকানাংশের বেশি স্থাপনায় উচ্ছেদ করা হয়।

নদীতীর কেউ যাতে দখল না করতে পারে সেজন্য বিআইডব্লিউটিএ সজাগ রয়েছে।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়