logo
  • ঢাকা সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬

ঈদযাত্রায় পাড়ি জমাবে এই ফুটো-ভাঙাচোরা লঞ্চ?

নাজিব ফরায়েজী, আরটিভি
|  ২৯ মে ২০১৯, ১৩:১৭ | আপডেট : ২৯ মে ২০১৯, ১৫:৩১
ঈদে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের জন্য অনেক জরাজীর্ণ লঞ্চকে মেরামত করা হয়েছে। ফিটনেসহীন এসব লঞ্চ চলাচলের অযোগ্য হলেও নিয়ম মেনে মেরামত না করে কেবল রংয়ের প্রলেপ দিয়ে চকচকে করা হয়েছে।

যদিও নৌপরিবহন অধিদপ্তর ফিটনেসহীন কোনও লঞ্চ চলাচল করতে না দেয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সদরঘাট থেকে বরিশালের গৌরনদী-টরকী রুটে চলাচল করা একটি লঞ্চে মেরামতের কাজ চলছে।অথচ এর প্রতিটি অংশে নাজুক অবস্থার চিহ্ন স্পষ্ট।

লঞ্চটির তলদেশে, অসংখ্য ফুটো। ভাঙাচোরা এমন অবস্থা, জায়গায় জায়গায়। ভাঙা ঢাকতে কোথাও কোথাও করা হয়েছে কাপড়ের ব্যবহার। ডেক সমতল থাকার কথা থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢালু হয়েছে।

এমন করুণ অবস্থার পরও গত বছরের অক্টোবরে এটিকে ফিটনেস সার্টিফিকেট দিয়েছেন সার্ভেয়ার। 

লঞ্চটি মেরামত না করলে চালকসহ কর্মচারীরা চাকরি ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেন। এরপর এটিকে ডকইয়ার্ডে নেয়া হয়। আইন অনুযায়ী, একজন প্রকৌশলীর তত্বাবধায়নে মেরামত কাজ চলার কথা থাকলেও মানা হচ্ছে না তাও।  

সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া আরেক লঞ্চ ‘গ্রীন ওয়াটারে’র অবস্থাও করুণ। অথচ, রংয়ের প্রলেপ দিয়ে লঞ্চটির জীর্ণশীর্ণতা ঢাকার চেষ্টা চলছে। তবুও বিভিন্ন স্থানে স্পষ্ট হয়ে আছে, ক্ষত। ভাঙাচোরা মেরামত না করে কেন রং দেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে কেটে পড়েন, লঞ্চের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি।

কেবল মুনাফার আশায়, অসাধু কিছু লঞ্চ মালিক এমন অনেক জরাজীর্ণ লঞ্চ ঈদে যাত্রী পারাপারে প্রস্তুত করছেন।

তবে, নৌ-পরিহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কোনও লঞ্চকেই ঘাটে ভিড়তে দেয়া হবে না।

এস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়