logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬

ফণীর আশঙ্কায় ১৯ জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, ৫৬ হাজার কর্মী প্রস্তুত

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০২ মে ২০১৯, ১৩:২৪ | আপডেট : ০২ মে ২০১৯, ১৩:৩৩
ছবি সংগৃহীত
ঘূর্ণিঝড় ফণী আগামীকাল শুক্রবার দেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ বিষয়ে বার বার পূর্বাভাস দিয়ে সতর্ক করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে,অতি শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি। মন্ত্রণালয় থেকে ১৯টি উপকূলীয় জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে সেখানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে আবার সভা হবার কথা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,ঘূর্ণিঝড় ফণী সাগর থেকে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এটি এরইমধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে এই ঘূর্ণিঝড় খুলনা ও তৎসংলগ্ন জেলার পূর্বাঞ্চলের প্রভাব ফেলতে পারে। সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে।

অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দীন আহমেদ জানান, ফণী শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। তাই ৪ মের আগেও বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে ঝড়ের আশঙ্কায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর ও চট্টগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদসংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ফণীর এখনকার গতিবেগ এবং পথ যদি ঠিক থাকে, তবে ভারতের ওডিশা, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে আমাদের খুলনা, সাতক্ষীরা ও মোংলায় আঘাত করবে শনিবার সকালে। এটি যশোর হয়ে দিনাজপুর পর্যন্ত প্রবাহিত হবে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার।

ঘূর্ণিঝড়টি এখন চট্টগ্রাম থেকে ১০৬৫ কিলোমিটার, পায়রা থেকে ৯২৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১০২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।

এস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়