• ঢাকা সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

রাখাইনে ‘সেফ জোন’করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহয়তা চেয়েছে বাংলাদেশ

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:৪৭ | আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:৫৪
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তদারকিতে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য ‘সেফ জোন’ তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহয়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। একইসাথে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করতেও সহযোগীতা চাওয়া হয়।  

সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. এ কে আব্দুল মোমেন ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সাথে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

দুই দেশের দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ নিজ দপ্তর পাওয়ার পর এটাই তাদের মধ্যেকার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের দেয়া তথ্য অনুসারে, বৈঠকে আলোচিত হওয়া অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ছিল- যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধুর খুনিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা, মুক্ত ও উন্মুক্তভাবে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে মতবিনিময়, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশ এবং দু’দেশের বিভিন্ন অংশদারিত্ব বিষয়ক খাত।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও সহয়তাকারী সংস্থার সমন্বয়ে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে এক লাখ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের জন্য ভাষানচর দ্বীপকে বসবাস উপযোগী করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত নাগরিককে কোনো ধরনের ভীতি ও অত্যাচার ছাড়া অবশ্যই মিয়ানমারে ফেরত যেতে হবে।

মাইক পম্পেও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে (রাজনৈতিক ও অর্থনৈতি উভয়ভাবে) থাকবে।

এসময় নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশাংসা করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়