logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

‘বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধ না হলে দেশের চ্যানেল সংকটে পড়বে’

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:২৫ | আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:০৩
সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক
ডাউনলিংক করে সম্প্রচারিত বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধ রাখা না হলে দেশের টেলিভিশন খাত অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। এজন্য সরকারের জারি করা আইন পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। বললেন সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক।

bestelectronics
আরটিভি সঙ্গে সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন তিনি।

বিদেশি চ্যানেল প্রদর্শনের সময় বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ রেখে ২০০৬ সালে ‘ক্যাবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আইন’ করে সরকার।

নিষিদ্ধ হওয়ার পরও ১৩ বছর ধরে তা মানা হচ্ছিল না। দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে এ অপকর্ম করে আসছিল একটি চক্র। ফলে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো অর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি পাচার হচ্ছিলো মোটা অংকের অর্থ।

টিভি চ্যানেলগুলোর ক্রমাগত আপত্তির মুখে অবশেষে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। শুরু হয় আইনের বাস্তবায়ন।

শুরুতে তথ্য মন্ত্রণালয় দুইটি পরিবেশক (ডিস্ট্রিবিউটর) সংস্থা ন্যাশনওয়াইড মিডিয়া লিমিটেড এবং জাদু ভিশন লিমিটেডকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায়।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আইন মোতাবেক নোটিশ দিয়েছি। আমরা কোনও চ্যানেল বন্ধ করিনি।

বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন সংশ্লিষ্টরা। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরির কোনও সুযোগ নেই বলেও মত তাদের।

রেজোয়ানুল হক তথ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি বহু আগে হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয় নাই। এটা এখন হয়েছে। এ জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশে টেলিভিশন খাতের স্বার্থে আইন অনেক আগেই কার্যকর হওয়ার দরকার ছিল।

তিনি বলেন, বিদেশি চ্যানেলে যে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়, তার মাধ্যমে এ দেশ থেকে কোটি কোটি টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে। বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ রাখা না গেলে দেশের টেলিভশন চ্যানেলগুলোর অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়বে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জানান, ডাউন লিংক করে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো দণ্ডনীয় অপরাধ। শুধু এ–সংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে মানা হলে বছরে দেশে ৫০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বাড়বে।

এস/জেএইচ

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়