• ঢাকা শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনার এক বছর: ক্ষতিপূরণ পেয়েছে ৩১ জন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১২ মার্চ ২০১৯, ১২:১১ | আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৯, ১০:৫২
নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের এক বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ (১২ মার্চ)। দিনটি স্মরণে বারিধারায় ইউএস-বাংলার কার্যালয়ে বাদ জোহর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত নিহত ও আহত ৩১ জনের পরিবারকে ইউএস-বাংলার পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে।

whirpool
বিমানটিতে চারজন ক্রসহ মোট আরোহী ছিলেন ৭১ জন। ওই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৭ বাংলাদেশি, ২৩ নেপালি ও একজন চীনা নাগরিকসহ মোট ৫১ জন। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি, ১০ জন নেপালি ও মালদ্বীপের এক নাগরিক ছিলেন।

গত এক বছরে বাংলাদেশ-নেপাল মিলিয়ে এই দুর্ঘটনার একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারের কন্ট্রোলারের পূর্ণ দায়িত্বশীল আচরণের অভাব, ককপিটে পাইলটের ধূমপানসহ কিছু ভুল; যেমন- অবতরণের সময় সঠিক পথে তিনি উড়োজাহাজ রাখতে পারেননি এবং পাইলট ও ক্রুদের পর্যাপ্ত মনোযোগের অভাব ছিল।

কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার এক বিমান দুর্ঘটনার জন্য পাইলটের ভুল সিদ্ধান্ত এবং আচরণকে দায়ী করে নেপালের তদন্ত কমিটি।

নেপালের তদন্তে বলা হয়, পাইলট ককপিটে বসে ধূমপান করছিলেন। দুর্ঘটনার আগে ফ্লাইটে থাকা পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’ছিলেন। ঘটনার সময় পরিস্থিতি অনুযায়ী তিনি ‘সাড়া’ দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বা সিভিআর থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

নেপাল সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির এ রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশি তদন্তকারী ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ বলেন, এ রিপোর্টে নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারের ভুল এবং ব্যর্থতাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার আগে বিমানের ক্যাপ্টেন ও বিমানবন্দরের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) মধ্যকার কথোপকথন হয়। এতে এটিসির গাফিলতি ছিল। পাইলটদের সঙ্গে এটিসি টাওয়ারের ল্যান্ডিংয়ের আগের কথোপকথনে ছিল রানওয়ের কোনদিক থেকে পাইলট ল্যান্ড করবেন। পাইলটদের ভুল বার্তা দেওয়া হয়। এসব তথ্য তাদের তদন্ত রিপোর্টে বিবেচনায় আনা হয়নি।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার এক বছর উপলক্ষে বারিধারায় ইউএস-বাংলার কার্যালয়ে বাদ জোহর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের নিহত ২৫ জন ও নেপালের ৬ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র পেলে বাকিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি থেকে।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়