• ঢাকা বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫

সাত জেলায় পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:০২ | আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:০৬
দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে আসা বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে সাত জেলার পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসময় ৪ দালালকে আটক করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার একযোগে দেশের সাত জেলায় এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে মেহেরপুর, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা ও দিনাজপুরে চারজন দালালকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে দুদক।

দালালদের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়। তাদের জরিমানাসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, পাসপোর্ট অফিস ঘিরে দালালেরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সিন্ডিকেট তৈরি করে ঘুষ–দুর্নীতি করছে—দুদকের অভিযোগ কেন্দ্রে এমন অভিযোগ আসে। অভিযোগ পেয়ে সাতটি এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করা হয়। এ দলগুলো দিনাজপুর, বরিশাল, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, সিলেট, মেহেরপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় অভিযান চালায়।

অভিযানে দালালদের ঘুষ-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের সত্যতা পেয়ছে বলে জানিয়েছে দুদক।

দুদক জানিয়েছে, মুন্সিগঞ্জে অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, ওই দপ্তরের সহকারী পরিচালক হালিমা খাতুন এক মাস ধরে হাজিরা খাতা যাচাই করছেন না। এ ছাড়া তার অফিসে সাধারণ পাসপোর্টের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফিয়ের অতিরিক্ত ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে চার হাজার টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। ঘুষ না দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে পাসপোর্টে বিভিন্ন ধরনের ভুল করা হয় বলে অভিযোগ আছে।

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে অভিযানে দেখা যায়, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে দালালচক্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।

এদিকে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে দালালেরা বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণে ঘুষ আদায় করছেন বলে প্রমাণ পায় দুদক। এ অফিসে ৫শ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

অভিযানের সময় বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে পুলিশ সদস্যরাই দালাল সেজে গ্রাহকদের থেকে টাকা আদায় করছে বলে প্রমাণ পাওয়ার কথা জানান তিনি।

এছাড়া কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে চারজন কর্মকর্তাকে অনুপস্থিত পায় দুদক কর্মকর্তারা।

আর/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়