• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

‘নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ’

জাহিদ রহমান
|  ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৪১ | আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ২২:৫৫
অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে গড়ে ওঠা নিম্নমানের খাবার তৈরির কারখানা বন্ধে তৎপর রয়েছে প্রশাসন। কিন্তু ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।  এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহকে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছে ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’। এজন্য নজরদারি বাড়ানোসহ সচেতনতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে রাজধানীসহ দেশের সকল কারখানা নজরধারীতে আসলে ভেজাল খাবার বন্ধ হবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

গেল কয়েকদিন মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর সীমানা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় খাবার তৈরির কারখানা। যার বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের মান ঠিক নেই, নেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নোংরা তেল আর ময়লা যুক্ত খাবার তৈরিতেই ব্যস্ত এসব কারখানাগুলো।

প্রতিনিয়ত ভেজাল কারখানাগুলো সিলগালা ও জেল-জরিমানা করে যাচ্ছে র‌্যাব। তবুও কিছুতেই যেন দমনো যাচ্ছে ভেজাল খাবার উৎপাদনকারী এসব প্রতিষ্ঠান। 

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম জানান, দুঃখজনক হলেও সত্য, পৃথিবীর কোনও দেশে খাবারে ভেজাল করা কিংবা ভেজাল হয় এটা ভাবনা করা যায় না। কিন্তু বাস্তবতা এটা যে আমাদের এখানে কিছু কারখানা ভেজাল জেনে করছে, আবার অনেকে না জেনে করছে।  সরকার খুবই শাস্তিমূলক কিছু আইন প্রণয়ন করেছে। আমরাও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছি।  আমরা মনে করেছি আগের তুলনায় পরিস্থিতি অনেকটা উন্নত হয়েছে।

এদিকে খাবারকে নিরাপদ করতে পথ খাদ্য সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করে কিভাবে খাবার তৈরি করা যায় তার জন্যে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে নেয়া হচ্ছে উদ্যোগ। প্রতিটি মানুষকে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করাই যার মুল লক্ষ্য।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মাহফুজুল হক বলেন, অভিযানের আওতায় সমগ্র দেশ কিংবা প্রতিষ্ঠানকে আনা সম্ভব নয়। আমরা খাদ্য ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চাচ্ছি। আগে আমরা শুধু অভিযান চালিয়ে ভেজাল প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অভিযুক্তদের শুধু আইনের আওতায় নিয়ে আসতাম। কিন্তু এখন আমরা কাজ করছি খাদ্যে ভেজাল ও দূষণের ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য আগে থেকে প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেয়া। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জনগণ যদি সচেতন হয়, মানুষ যদি নিরাপদ খাবার খেতে চায়। নিরাপদ খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়, তাহলে যারা সরবরাহ করবে, তারা নিরাপদ খাবার দিতে বাধ্য হবে।

আরও পড়ুন :

 

এমসি/জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়