• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
logo

সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

  ২৪ মে ২০২৪, ২১:০৫

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের এক হোটেলে দুই দিনব্যাপী ‘ইনফোকম ঢাকা ২০২৪’ সম্মেলন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না, যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করি না, আমরা সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এ জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল। কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কি না সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে সেটিই বিবেচ্য। আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যেসব পরিবর্তন ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি। এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে। বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। ফলে ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসঙ্গে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে। মানবতা, মানবাধিকার এবং মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষদের একত্রিত হতে হবে। ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসঙ্গে চেষ্টা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যত বেশি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে পারবো, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে। তাহলে আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারবো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

মন্তব্য করুন

  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সেনবাগে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল
শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ
পত্রপত্রিকা কী লিখল সেটা দেখে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী
গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে মুসলিম সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর