• ঢাকা সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
logo

সময় নির্ধারণ করে সেবা দেওয়ার তাগিদ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর

আরটিভি নিউজ

  ১৫ মে ২০২৪, ১৪:৩৪
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। ফাইল ছবি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এখন যতগুলো সেবা দেয়, তার সবগুলো আগামীতে একটা লিপিবদ্ধ কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। লিপিবদ্ধ এ কর্মপরিকল্পনায় সেবা দেওয়ার সময় এবং প্রক্রিয়া উল্লেখ থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, মন্ত্রণালয় থেকে আমরা যত সেবা দিই, সব সেবা আমরা একটা রিটেন ফ্লো চার্টের মধ্যে দেব; যেখানে সেবা দেওয়ার সময় এবং প্রক্রিয়া উল্লেখ থাকবে৷ কোন প্রক্রিয়া কত সময়ের মধ্যে দেব এটাও ঠিক করে ফেলব। এটা করে ফেলতে পারলে আমাদের পুরো সেবাটাকেই ই-গভর্নন্যান্সে পরিপূর্ণ রূপ দিতে পারব।

বুধবার (১৫ মে) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইনোভেশন শো-কেসিং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলে তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছর শুরু হবে এক মাসের মধ্যে। জুনে বাজেট শুরু হবে। আমি কয়েকটি কাজ করতে অনুরোধ করব আপনাদেরকে। আমরা যে সেবা প্রদান করি সেই প্রক্রিয়াটাকে ডিজিটালাইজ করা।আমাদের ডিজিটালাইজেশনের ধারণাটা পরিস্কার না। এটা ‌যেকোনো অটোমোশন বা ই-গভর্নেন্সের পূর্বশর্ত। যে সেবাটি আপনি দেবেন সেটা ফ্লো-চার্টের মতো সাজানো থাকা উচিত। খুব সহজ; আমি কী সেবা দিচ্ছি এবং সেবাটা কী প্রক্রিয়ায় দেব, স্টেপ বাই স্টেপ লিপিবদ্ধ থাকবে। আগামী বছর আমাদের উদ্ভাবন পরিকল্পনা একটা অন্যতম অনুষঙ্গ হবে এটা।

তিনি বলেন, এখন আর আরজিসিতে একটা কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে কাউকে আমাদের অফিসে আসতে হয় না। দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকবে সেখানে বসেই কিন্তু একটা কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব।আমাদের আইআরসি, এক্সপোর্ট পারমিশন, ইমপোর্ট পারমিশন; সব সেবাই কিন্তু অনলাইনে দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছি। যেখানে আমাদের সমস্যাটা সমাধান করতে হবে, সেটা হলো জিনিসটাকে একই লাইনে আনতে হবে। একটা প্রক্রিয়া অটোমেট করলেন, আরেকটা করলেন না; তাহলে তো হবে না। এই জায়গাগুলোতে আমাদের উদ্ভাবনী প্রক্রিয়াগুলো চিন্তা করতে হবে এবং সেটাকে ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করতে হবে।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলেছেন; আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি৷ প্রধানমন্ত্রী চারটি পিলারের ওপর স্মার্ট বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়েছেন৷ প্রথমত স্মার্ট সিটিজেন, তাদেরকে নিয়েই আমাদের সব কর্মপরিকল্পনা৷ কোন সিস্টেম ডিজিটাল করলাম কিন্তু পেমেন্ট মেথড ডিজিটাল করলাম না, তাহলে কিন্তু পরিকল্পনাটা সম্পূর্ণ হলো না৷ আপনি সেবা দিচ্ছেন কিন্তু পেমেন্টটা কিভাবে নিচ্ছেন সেটাও ভাবতে হবে৷ এটাকেও ডিজিটালাইজ করতে হবে৷

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যেকটা জিনিসের কর্মপরিকল্পনা লিপিবদ্ধ করে ডিজিটালাইজ এবং সম্পূর্ণ করতে পারলেই আমাদের সার্থকতা৷ আমরা বাংলা এবং ইংরেজি একেবারে গুলিয়ে ফেলছি৷ হয় পুরোটা ইংরেজিতে বলবো অথবা পুরোটা বাংলায় বলবো৷ আমার মনে হয়, ইংরেজি যা লিখি সেটা ইংরেজি লেটার দিয়ে লিখলে ভালো হয়৷ আমাদের এই চর্চাটা শুরু করা উচিত৷

মন্তব্য করুন

daraz
  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ জানানো যাবে ৯৯৯-এ
ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘ব্যাংকক হসপিটাল’র বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা
ময়মনসিংহে গণশুনানি : বিআরটিএ নিয়ে সেবাগ্রহীতাদের অসন্তোষ 
রপ্তানিকারকদের আয় ৩০ শতাংশ বেড়েছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
X
Fresh