• ঢাকা শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
logo

জামিন পেলেন ট্রান্সকমের শীর্ষ তিন কর্তা

আরটিভি নিউজ

  ০৩ এপ্রিল ২০২৪, ১৬:৩৮
ফাইল ছবি

হত্যাসহ প্রতারণার চার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান ও হেড অব ট্রান্সফরমেশন যারেফ আয়াত হোসেন।

বুধবার (৩ এপ্রিল) আসামিরা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাহবুব আহমেদ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ট্রান্সকম গ্রুপের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম।

পৃথক চারটি মামলা দায়েরের সময় ট্রান্সকম গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্তা বিদেশে ছিলেন। যাতে তারা কোনো ধরনের বাধা ছাড়া দেশে ফিরে আইনিভাবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন, সে জন্য উচ্চ আদালতে পৃথক রিট আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত তাদের কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই দেশে ফেরা এবং ফেরার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ট্রান্সকম গ্রুপের শীর্ষ তিন কর্তা দেশে ফিরেই আজ বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। এরপর তারা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ ও জামিন আবেদন করেন। পরে শুনানি নিয়ে আদালত চারটি মামলায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

ট্রান্সকম গ্রুপের সম্পত্তি ও শেয়ারসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক তার বড় বোন ও ট্রান্সকম গ্রুপের বর্তমান সিইও সিমিন রহমান এবং গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান ও তাদের মা শাহনাজ রহমানসহ ট্রান্সকমের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছেন।

এর মধ্যে একটি মামলায় শাযরেহ হক তার বড় ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে হত্যার অভিযোগ এনেছেন সিমিন রহমানসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে।

গত ২১ মার্চ রাতে গুলশান থানায় এ মামলা দায়ের করেন ট্রান্সকমের প্রতিষ্ঠাতা লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ।

২০২৩ সালের ১৬ জুন ঢাকার গুলশানের বাসায় নিজের শোয়ার ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ১ জুলাই লতিফুর রহমানের মৃত্যু হলে এক মাসের মাথায় ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আসেন লতিফুর রহমানের স্ত্রী শাহনাজ রহমান, বড় মেয়ে সিমিন হোসেন পান সিইওর দায়িত্ব।

সাড়ে তিন বছরের মাথায় ছোট মেয়ে শাযরেহ হক মামলার পথে হাঁটায় এই পরিবারের কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে।

মন্তব্য করুন

daraz
  • বাংলাদেশ এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
কলেজছাত্রকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ 
বারের সামনে চুলোচুলি, ভাইরাল সেই ৩ নারী গ্রেপ্তার
জামিনে মুক্তি পেলেন সেই খালেদা, অঝোরে কাঁদলেন মেয়েকে জড়িয়ে
সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা
X
Fresh