logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

‘যারা স্বাধীনতা চায়নি তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা স্বাধীনতা চায়নি, মুক্তিযুদ্ধ চায়নি, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় তিনি একথা বলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে আওয়ামী লীগ এ আলোচনার আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান আমাকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে ঢুকতে দেননি। আমি রাস্তায় বসে বাবা-মার জন্য দোয়া করেছি। বঙ্গবন্ধুর বাড়ির পরিবর্তে অন্য অনেক বাড়ি দিতে চেয়েছেন তিনি। একজন খুনির কাছ থেকে কিছু নেয়া আমার রুচিতে বাধে।

তিনি বলেন, বিদেশেও অনেক কষ্টে দিন যাপন করেছি আমরা দু’বোন। সব কষ্টগুলো মায়ের মতো বুকে চেপে রেখেছি। কারো কাছে হাত পেতে কিছু চায়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতাকে শুধু হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি খুনিরা, ৪০ দিন ধরে তার চরিত্র হননের অপপ্রচার চালায়। আর খুনিদের ইন্ধনদাতা জিয়াউর রহমানের পক্ষে সাফাই গেয়ে তাকে মহানায়ক হিসেবে উপস্থাপন করে। শোকে মূহ্যমান থেকেও এসব নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদ করেছি।

জাতীয় শোক দিবসে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কেক না কাটা রাজনৈতিক উদারতা নয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আসল কথা হচ্ছে ১২ আগস্ট ছোট ছেলে কোকোর জন্মদিন তিনি পালন করতে পারেননি। তাই নিজেরটাও পালন করেননি। একজন মা হিসেবে এর চেয়ে বেশি আর কি করতে পারেন।  

শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্ট তো ওনার জন্মদিন নয়। শুধু বঙ্গবন্ধু পরিবার ও তার অনুসারীদের মনে আঘাত দিতেই এদিনে কেক কেটে ফূর্তি করতেন। খুনিদের জানান দিতেন তাদের সঙ্গেই তিনি আছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জাতির জনককে হত্যা করে খুনিরা দেশ পরিচালন করতো। এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। কতিপয় স্বীকৃত ঘাতকদের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। বাকিদেরও খুঁজে এনে দণ্ড কার্যকর করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রিয় পিতা সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তাদের মাঝে আমিও হারানো প্রিয়জনদের প্রতিনিয়ত খুঁজে ফিরি। দু:খী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে জাতির পিতার আত্মার শান্তি দিতে আমৃত্যু কাজ করতে চাই। বাধা বিপত্তি যাই আসুক পরোয়া করি না। 

 

RTVPLUS