Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮

আসন্ন বাজেটে তামাক পণ্যে কর বাড়ানোর দাবি

জুম মিটিং

বাজেটকে সামনে রেখে, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক পণ্যে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের দাবিতে অনলাইনে মত বিনিময় সভা করেছে বেসরকারি মানবাধিকার ও গবেষণা সংস্থা ভয়েস।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, পিকেএসএফ এর চেয়ারপয়ার্সন ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদসহ অতিথিরা সিগারেটসহ তামাক পণ্যে আসন্ন বাজেটে কর বাড়ানোর পক্ষে মত দেন।

বাজেটকে সামনে রেখে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সিগারেটসহ সকল তামাক পণ্যে কর বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি মানবাধিকার ও গবেষণা সংস্থা ভয়েস “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের করবৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক এ অনলাইন মত বিনিময় সভায় বক্তারা তামাক পণ্যের ওপর সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করে দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে সকল তামাকজাত পণ্যকে জনগণের ক্রয়সীমানার বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ এর চেয়ারপয়ার্সন এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ এবং অনলাইন সেমিনারটি সঞ্চালনা করেছেন ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এরোমা দত্ত, শিরীন আখতার এমপি, অসীম কুমার উকিল এমপি, শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি,মোস্তাফিজুর রহমান, লিড পলিসি এডভাইজার, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাক ফ্রি কিডস।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রকল্প সমন্বয়ক জায়েদ সিদ্দিকী। প্রবন্ধে বলা হয় বাংলাদেশে প্রচলিত তামাক কর ব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল যেখানে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন মাত্রার কর আরোপ করা হয়েছে। এছাড়াও অতীতে তামাকের ওপর কর আরোপ করে ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করা হলেও মানুষের আয় বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে তামাকের দাম বৃদ্ধি না পাওয়ায় পদক্ষেপ ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে ২০১৫-১৬ সালের তুলনায় ২০১৭-১৮ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় (নমিন্যাল) বেড়েছে ২৫.৪ শতাংশ কিন্তু এ সময়ে বেশিরভাগ সিগারেটের দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকেছে বা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নিম্নস্তরের সিগারেটে কর বৃদ্ধির মাত্রা নগণ্য হওয়ায় তামাক পণ্য থেকে গেছে সহজলভ্য। এর ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে বিড়ি সিগারেটের মত ক্ষতিকর পণ্যের ব্যবহার কমানো সম্ভব হয়নি।

বিশ্বে সর্বোচ্চ তামাক ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম প্রথম দিকে। দেশে ৩৫.৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করে। প্রতিবছর ১ লক্ষ্য ৬১ হাজার মানুষ তামাক জনিত রোগে প্রাণ হারায় এবং অনেকে অকালে পঙ্গু হয়ে যান। কিন্তু সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল প্রভৃতি তামাকজাত পণ্য সহজলভ্য হওয়ায় এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

বাদল/ এমকে

RTV Drama
RTVPLUS