logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ২০ ফাল্গুন ১৪২৭

তামাকের মূল্য না পেয়ে বিপাকে পার্বত্য এলাকার কৃষক

মানববন্ধন

তামাকের ন্যায্যমূল্যসহ ৬ দফা দাবিতে বান্দরবানের লামায় মানববন্ধন করেছে, তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। সকালে লামা উপজেলা পরিষদের সামনে মুস্তাকিন জনির সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন, বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক হারিক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গফুর, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন ও শ্রমিক লীগ নেতা আবুল বাশারসহ অনেকে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বাড়তি করের কারণে বিড়িশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদিত তামাক বিক্রি করতে না পেরে বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলের চাষীরা ক্ষতির মুখে পড়েছে। সংকট সমাধানে তামাকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা ও বিড়িতে ১০% অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি জানানো হয়।

চাষীরা জানান, পাহাড়ি অঞ্চলে অন্য ফসলের ফলন তেমন ভালো না হওয়ায় তারা তামাক চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু সম্প্রতি বিড়ি কারখানাগুলো তামাক না কেনায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাজার হাজার তামাক চাষী। উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম না পেয়ে তাদের সংসারে দেখা দিচ্ছে অভাব-অনটন।

ব্যবসায়ীরা বলেন, উচ্চ করের বোঝার কারণে বিড়ি কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে তামাক সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাষীদের সঙ্গে তারাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে এটি বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলেও দাবি করেন তারা।

বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানসহ নেতারা বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে প্রতি প্যাকেট বিড়িতে ৪ টাকা মূল্য বৃদ্ধি করে বিড়ির সাথে তামাক চাষী ও ব্যবসায়ীদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও দেশীয় বিড়ি শিল্প রক্ষায় তারা ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো, ১. তামাক চাষীদের তামাক পাতা বিক্রয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে। ২. তামাক চাষীদের তামাক পাতা বিক্রয়ের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ৩. ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির উপর বৃদ্ধিকৃত অতিরিক্ত ৪ টাকা মূল্যস্তর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। ৪. বিড়ির উপর অর্পিত ১০% অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। ৫. বিড়ির শুল্ক কমিয়ে তামাক পাতার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ৬. বঙ্গবন্ধুর আমলের মতো তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেও তামাকে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

RTV Drama
RTVPLUS