logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১১ মাঘ ১৪২৭

পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যা: রিটে পক্ষভুক্ত হতে মায়ের আবেদন

Raihan murder: Mother's application to the High Court to join the writ petition
পুলিশ হেফাজতে হত্যার শিকার রায়হান
সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে ও পুলিশ হেফাজতেই রায়হান উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমেদের করা রিটে পক্ষভুক্ত হতে আবেদন করেছেন হত্যার শিকার রায়হানের মা সালমা বেগম।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল কাইয়ূম। এর আগে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে জনস্বার্থে রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ।

আইনজীবী ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি জনস্বার্থে রিট করেছিলাম। এখন রিটে পক্ষভুক্ত হতে রায়হানের মা আবেদন করেছেন। আশা করি এক সপ্তাহের মধ্যেই এই আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

রায়হান উদ্দিন সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে। তার ৩ মাস বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন তিনি।

গত ১১ অক্টোবর সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে গুরুতর আহত হন রায়হান। তাকে ওইদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহীসহ পুলিশ সদসরা। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান  রায়হান।

ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, নগরের কাস্টঘরে গণপিটুনিতে রায়হান নিহত হন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে প্রাণ হারান রায়হান।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে সিলেট মহানগর পুলিশের তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরসহ ৪ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৩ জনকে প্রত্যাহার করেন।
মামলাটি পুলিশ সদর দপ্তররে নির্দেশে পিবিআই তদন্ত কার্যক্রম চলমান। পরে মরদেহ কবর থেকে তুলে পুনঃময়নাতদন্ত করা হয়। রায়হানের দেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন মেলে ফরেনসিক রিপোর্টে।

এরইমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই আকবর পলাতক থাকলেও পুলিশ হেফাজতে থাকা কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকে ২০ অক্টোবর ও হারুনুর রশিদকে ২৪ অক্টোবর এবং ২৮ অক্টোবর এএসআই আশেকে এলাহী গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তারা এখন কারাগারে বন্দি রয়েছে।

কেএফ

RTV Drama
RTVPLUS